এখনো বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরা থেকে গেছে পর্তুগালের। চলমান ফিফা বিশ্বকাপে পর্তুগালকে নিয়ে ফুটবল বিশ্বে বাড়তি প্রত্যাশা কাজ করছে। দলটির কিংবদন্তি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও শুনিয়েছেন আশার বাণী। ফুটবলে পর্তুগালের বর্তমান প্রজন্মকে নিয়ে প্রশংসা ঝরেছে তাঁর মুখে।
বিশ্বকাপের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দেওয়ার আগে দলের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন রোনালদো। বিশ্ব ফুটবলের এই তারকাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে, উত্তরে তিনি বলেন, ’শারীরিকভাবে? আমি ঠিক আছি। তুমি কি খেলাগুলো দেখনি?’ আরও যোগ করেন, ’আমরা জানি যে বিশ্বকাপ সব সময়ই একটি বিশেষ প্রতিযোগিতা। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের মতোই, এবং আমরা (বিশ্বকাপে) যাচ্ছি উচ্চ প্রত্যাশা নিয়ে।’
বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ও তাদের শিরোপা ঘরে তুলে নেওয়ার সম্ভাবনার ব্যাপারে পর্তুগালের অধিনায়ক বলেন, ’এটা ক্লান্তিকর ছিল। কারণ, আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যখন ১৭ তারিখে প্রথম ম্যাচে খেলা শুরুর বাঁশি বাজবে, এরপর যখন কঠিন সময় আসবে, তখনই আমরা আসল চ্যাম্পিয়নদের দেখতে পাব। এটা (বিশ্বকাপ জেতা) অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করবে, প্রথম স্থানে থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করা জরুরি। এরপর এক খেলার পর আরেক খেলা, ধাপে ধাপে, ঠান্ডা মাথায়, আত্মবিশ্বাস অর্জন করে এবং ছন্দে থেকে খেলা।’
পর্তুগালের বর্তমান দলের শক্তিমত্তা নিয়ে সন্দেহ আছে খুব কমই। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে পর্তুগিজদের দলকে অনেকেই রাখছেন ফেবারিটদের তালিকায় শুরুর সারিতে। দেশটির এখনকার খেলোয়াড়দের কি নিয়ে উচ্চাশা রয়েছে রোনালাদোরও, ’খুব ভালো একটি প্রজন্ম। কিন্তু কিছু ব্যাপার আছে যেগুলো আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো না, যেমন খেলাগুলো, জেতা বা না জেতা। এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক। আমি বিশ্বাস করি এটি এমন প্রজন্ম যেটি পর্তুগিজদের জন্য অনেক আনন্দ নিয়ে আসবে।’
কে গ্রুপে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচ ১৭ জুন। হিউস্টনে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে খেলতে নামবে তারা। গ্রুপে তাদের বাকি প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান ও কলম্বিয়া।