আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে আর্জেন্টিনা। ডালাস স্টেডিয়ামে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে হতে যাওয়া ম্যাচটি জিতলেই নকআউট নিশ্চিত হয়ে যাবে লা আলবিসেলেস্তেদের। তার আগে আলোচনায় তিনবারের চ্যাম্পিয়নদের সম্ভাব্য একাদশ।
আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্সের পরও ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের একাদশে একটি পরিবর্তন আসবে। চোটের কারণে রাইটব্যাক গনসালো মন্তিয়েলকে বিশ্রাম দেবেন লিওনেল স্কালোনি। ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে টান অনুভব করায় তাঁকে বেঞ্চে রাখা হচ্ছে। মন্তিয়েলের অনুপস্থিতিতে শুরুর একাদশে রাখা হবে নাউয়েল মলিনাকে। এই পজিশনে স্কালোনির প্রথম পছন্দ তিনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শুধু রাইব্যাকই নয়, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ সামনে রেখে আরও দুটি পরিবর্তন আসতে পারে আর্জেন্টিনার একাদশে। শুরুর একাদশে দেখা যেতে পারে হুলিয়ান আলভারেসকে। গোড়ালির চোট কাটিয়ে আলজেরিয়ার বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন এই ফরোয়ার্ড। তবে আতলেতিকো মাদ্রিদ তারকা এখনো পুরোপুরি ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাননি বলে কিছুটা শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। আলজেরিয়া ম্যাচের মতো অস্ট্রিয়ার বিপক্ষেও লাউতারো মার্তিনেস শুরুর একাদশে নামলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
আক্রমণভাগে আরও একটি পরিবর্তন নিয়ে ভাবছেন স্কালোনি। থিয়াগো আলমাদা একাদশে থাকবেন নাকি তাঁর জায়গায় সুযোগ পাবেন নিকোলাস গনসালেস—এখনো সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেনি টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে আলজেরিয়ার বিপক্ষে শুরু করা আলমাদার ওপরই আবারও আস্থা রাখার সম্ভাবনা বেশি—এমনটাই দাবি টিওয়াইসি স্পোর্টসের।
লেফটব্যাক পজিশনে ফাকুন্দো মেদিনাকেই ধরে রাখছেন স্কালোনি। কাফের চোট কাটিয়ে নিকোলাস তালিয়াফিকো দলে ফিরলেও তাঁকে শুরু থেকেই খেলিয়ে ঝুঁকি নিতে চায় না কোচিং স্টাফ। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দেখা যেতে পারে এই ডিফেন্ডারকে। ধীরে ধীরে ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাওয়ায় লিয়ান্দ্রো পারেদেসকেও কিছুটা সময় খেলাতে পারেন স্কালোনি, বলা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেস, নাউয়েল মলিনা, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ফাকুন্দো মেদিনা; রদ্রিগো দে পল, আলেক্সিস মাক আলিস্তার, এনসো ফার্নান্দেস, থিয়াগো আলমাদা অথবা নিকোলাস গনসালেস, লিওনেল মেসি ও লাউতারো মার্তিনেস।