চ্যাম্পিয়নস লিগের রাউন্ড সিক্সটিনের শুরুটা প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি বার্সেলোনার। সেন্ট জেমস পার্কে গিয়ে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে কাতালানরা। পূর্ণ তিন পয়েন্ট না পেলেও মন খারাপ করছেন না দলটির প্রধান কোচ হান্সি ফ্লিক। বরং খুশিই থাকছেন তিনি।
ম্যাচ শেষে ফ্লিক বলেন, ‘ফলাফলে আমি বেশি খুশি। বল দখলে রেখে আমরা ভালো খেলতে পারিনি। তবে বল ছাড়া আমরা ভালো ছিলাম, দল হিসেবে একসঙ্গে ডিফেন্ড করেছি—এটা ইতিবাচক দিক। এই স্টেডিয়ামে, এমন চাপ ও দারুণ পরিবেশের মধ্যে খেলা সহজ ছিল না। সেই চাপের মধ্যেই আমরা অনেক ভুল করেছি, যেগুলো আমাদের ঠিক করতে হবে।’
চেনা দূর্গে গতিময় ফুটবলে বার্সাকে বেশ চাপেই রেখেছিল নিউক্যাসল। বল দখলে পিছিয়ে থাকলেও (৪৬ শতাংশ) প্রতিপক্ষের পোস্টে তাদের নেওয়া ১৬ শটের মধ্যে পাঁচটাই লক্ষ্যে ছিল। বিপরীতে ১০ শটের মধ্যে মাত্র তিনটা স্বাগতিকেদের পোস্ট বরাবর রাখতে পেরেছে বার্সা। উভয় দলের বেশ কিছু সুযোগ নষ্টের ভীড়ে ম্যাচের প্রথম গোলটা আসে নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট আগে।
সতীর্থ মার্ফির কাছ থেকে বল পেয়ে জালে বল জড়ান হার্ভে বার্নেস। চেষ্টা করেও বল ঠেকাতে পারেননি বার্সার গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া। এই গোলের ওপর দাঁড়িয়ে প্রায় জিতেই যাচ্ছিল নিউক্যাসল। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক সেকেন্ড আগে স্বাগতিকেদের ডি বক্সে দানি ওলমো ফাউলের শিকার হলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক থেকে ঠান্ডা মাথায় ঠিকানা খুঁজে নেন লামিনে ইয়ামাল। হারের খুব কাছ থেকে ফিরে এসে পয়েন্ট ভাগ করে মাঠ ছাড়ে বার্সা।
ফিরতি লেগে আগামী ১৮ মার্চ ক্যাম্প ন্যুতে নিউক্যাসলকে আতিথেয়তা দেবে বার্সা। সে ম্যাচে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটির বিপক্ষে জয়ের বার্তাই দিয়ে রাখলেন ফ্লিক, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আমরা অনেক ম্যাচ খেলেছি। পেদ্রি চোট কাটিয়ে ফিরছিল, বার্নালও দীর্ঘদিন পর দলে ফিরেছে। আমাদের উন্নতি করতে হবে এবং খেলাটা চালিয়ে যেতে হবে। ইতিবাচক দিক হলো ফলাফলটা। এক গোল পিছিয়ে থেকেও ড্র করতে পারাটা দারুণ ব্যাপার। আমরা নিশ্চিত, ক্যাম্প ন্যুতে বার্সেলোনার ভিন্ন রূপ দেখা যাবে।’