২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব এখনো শুরু হয়নি; ফাইনাল তো বহু দূরের পথ। তবে হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু গিলিয়ানির চোখ আরও সামনে। ২০৩৪ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র আয়োজন করতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কানাডার যৌথ আয়োজনে হচ্ছে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। টুর্নামেন্টের ১৬ ভেন্যুর ১১টিই মার্কিন মুলুকে। মোট ১০৪ ম্যাচের ৭৮টিই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। চলতি বিশ্বকাপের পরের দুই বিশ্বকাপের আয়োজকও ঠিক হয়ে গেছে। ২০৩০ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। আর ২০৩৪ বিশ্বকাপ সৌদি আরব আয়োজন করবে এককভাবে। সরাসরি না বললেও ১২ বছর পর মার্কিন মুলুকে বিশ্বকাপ আয়োজনের ইঙ্গিত দিয়েছেন গিলিয়ানি। বিবিসিকে গতকাল তিনি বলেন, ‘২০৩৮ সালের আয়োজক নির্ধারণে বিড তো হবে। সেই বিড নিয়ে লাফালাফি বাদ দিয়ে চলমান বিশ্বকাপটা ভালোমতো শেষ করতে চাই।’
এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে হচ্ছে বিশ্বকাপ। এর আগে ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল। তবে মার্কিন মুলুকে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে বিতর্ক যেন শেষই হচ্ছে না। টিকিটের আকাশচুম্বী দাম নিয়ে ভক্ত-সমর্থক ও ফুটবল গোষ্ঠীদের অভিযোগ তো রয়েছেই। আর ইরান ফুটবল দলের সাপোর্টিং স্টাফসহ বেশ কিছু দলের ভিসা নিয়ে হয়েছে ঝামেলা।
উপরন্তু এবারের বিশ্বকাপে দলসংখ্যা বেড়ে ৩২ থেকে ৪৮ হয়েছে। আর চলমান বিশ্বকাপের মধ্যে শোনা যাচ্ছে, ২০৩০ সালে ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’ অংশ নেবে ৬৪ দল। একের পর এক সমালোচনা থাকলেও বড় পরিসরের বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যুক্তরাষ্ট্রই পারবে বলে আশা গিলিয়ানির। বিবিসিকে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে ৬৪ দলের বিশ্বকাপ হলে সেটা আয়োজন করার সামর্থ্য যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।’
২০৩০ ও ২০৩৪ সালে হতে যাওয়া দুই বিশ্বকাপের আয়োজক যেমন নির্ধারিত করা হয়েছে, ভেন্যুও একরকম চূড়ান্ত বলে জানা গেছে। আগামী বিশ্বকাপগুলোর মধ্যে শুধু ২০৩৮-এর জন্যই নতুন করে বিডিং কার্যক্রম শুরু হবে।