সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে জাতীয় দলের কোচিং স্টাফ আরও শক্তিশালী করছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। প্রধান কোচ টমাস ডুলির সঙ্গে কাজ করতে তিনজন বিদেশি কোচকে যুক্ত করা হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে দুজন সহকারী কোচ, আর একজন গোলকিপিং কোচ।
গোলকিপিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে বাংলাদেশে আসছেন জার্মানির ক্রিস্তিয়ান বারবুচাক। ৪৯ বছর বয়সী এই কোচ খেলোয়াড়ি জীবনে জার্মানি ও স্লোভাকিয়ার বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে এবং ক্লাব ফুটবলে খেলেছেন। ২০০৩ সালে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করা বারবুচাক ২০১১-১২ মৌসুমে কাজাখস্তান জাতীয় দলের গোলকিপিং কোচ ছিলেন। সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ লিগে পার্থ এফসির গোলকিপারদের নিয়ে কাজ করেছেন। এবার তাঁর তত্ত্বাবধানে অনুশীলন করবেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিতুল মারমা, শ্রাবণসহ জাতীয় দলের অন্য গোলকিপাররা।
ডুলির সহকারী কোচ হিসেবে যোগ দিচ্ছেন ভিয়েতনামের এনগুয়েন হোয়াঙ ল্যান। এএফসির ‘সি’ লাইসেন্সধারী এই কোচ এর আগে গায়ানা জাতীয় দলের সহকারী কোচ ছিলেন। সর্বশেষ ভিয়েতনামের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব ব্যাচ নিন এফসিতে একই দায়িত্ব পালন করেছেন।
আরেক সহকারী কোচ হচ্ছেন জার্মানির রেনার্ড কার্ল স্টাম্ফ। ৬৪ বছর বয়সী সাবেক এই সেন্টার-ব্যাকের কোচিং জীবন বেশ সমৃদ্ধ। সৌদি আরবের আল শাবাব ও আল ইত্তিফাকের প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। খেলোয়াড়ি জীবনে গালাতাসারাই ও এফসি কোলনের মতো ক্লাবেও খেলেছেন। উয়েফার প্রফেশনাল লাইসেন্সধারী স্টাম্ফের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের কোচিং স্টাফে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেই আশা বাফুফের।
হাভিয়ের কাবরেরার বিদায়ের পর জাতীয় দলের দায়িত্ব নেন টমাস ডুলি। নিজের প্রথম ম্যাচেই সফলতার দেখা পান যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই কোচ। তাঁর অধীনে সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে নতুন যাত্রার ইতিবাচক সূচনা করেছে বাংলাদেশ।
সামনে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সেই লক্ষ্যেই কোচিং কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে চাইছেন ডুলি। বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, বিদেশি তিন কোচের পাশাপাশি দেশের ভেতর থেকেও আরও দুজন সহকারী কোচ যুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে সাফের আগে আরও পরিপূর্ণ কোচিং স্টাফ নিয়েই দলকে প্রস্তুত করতে চান বাংলাদেশের প্রধান কোচ।