২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শুরুতেই নাম লিখিয়ে ফেলল রেকর্ড বইয়ে। আসতেকা স্টেডিয়ামে গত রাতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা উদ্বোধনী ম্যাচে দেখা গিয়েছে তিন লাল কার্ড। এই ঘটনা যেন ফুটবল সমর্থকদের নস্টালজিক করে দিয়েছে। যে ‘ব্যাটল অব ন্যুরেমবার্গে’র ঘটনা অনেকেই ভুলতে বসেছিলেন, এবারের উদ্বোধনী ম্যাচ দেখে মনে পড়েছে।
আসতেকা স্টেডিয়ামে তিন লাল কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি উইল্টন সাম্পাইও। যার মধ্যে রয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ফুটবলার স্পেপেলো সিথোলে ও থেম্বো জোয়াম। আরেক লাল কার্ড দেখেছেন স্বাগতিক মেক্সিকোর সিজার মন্তেস। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবশেষ একই দলের জোড়া লাল কার্ড দেখার ঘটনা হয়েছে ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে। ২০ বছর আগে নেদারল্যান্ডস-পর্তুগাল শেষ ষোলোর ম্যাচে দেখা গেছে চার লাল কার্ড। ‘ব্যাটল অব ন্যুরেমবার্গ’ খ্যাত সেই ম্যাচে দুই দলই দেখেছিল জোড়া লাল কার্ড। ফুটবলের পরিসংখ্যান নিয়ে কাজ করা অপ্টা জো নিজেদের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে এই তথ্য জানিয়েছে।
শুধু ‘ব্যাটল অব ন্যুরেমবার্গ’ নয়, গত রাতের মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ ফিরিয়ে এনেছে ৩৬ বছরের পুরোনো স্মৃতিও। এখন পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বকাপ ইতিহাসে দুইবার উদ্বোধনী ম্যাচে একই দলের দুই ফুটবলার লাল কার্ড দেখেছেন। ১৯৯০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ক্যামেরুন-আর্জেন্টিনা। ইতালিতে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপে ক্যামেরুনের আন্দ্রে কানা বিয়িক ও বেনজামিন মাসিং লাল কার্ড দেখেছিলেন।
‘ব্যাটল অব নুরেমবার্গের’ ঘটনায় যে চার লাল কার্ড, কোনোটিই সরাসরি নয়। ২০০৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নেদারল্যান্ডস-পর্তুগালের চার ফুটবলার লাল কার্ড দেখেছিলেন জোড়া হলুদ কার্ড দেখে।। তবে গত রাতে আজতেকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ আরেক কারণে আলোচিত। গত রাতে রেফারি সাম্পাইও যে তিন লাল কার্ড দেখিয়েছেন, প্রত্যেকটিই সরাসরি।
২২ জনের ম্যাচ গত রাতে শেষ ভাগে এসে ১৯ জনের ম্যাচে পরিণত হয়। মেক্সিকোর মন্তেস লাল কার্ড দেখেছেন ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ২ মিনিটে। তিন লাল কার্ডের ম্যাচে মেক্সিকো ২-০ গোলে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। ৯ ও ৬৭ মিনিটে গোল দুটি করেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস ও রাউল হিমেনেস।