তারকা ফুটবলারদের জীবন নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই ভক্তদের। সেই তারকা যদি হন লিওনেল মেসি, তাহলে তো আগ্রহটা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এবার আর্জেন্টাইন টিভি সঞ্চালক পোয়ো আলভারেসকে ব্যক্তিজীবন নিয়ে মজার কিছু তথ্য দিলেন লা আলবিসেলেস্তেদের বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক।
নাক ডাকেন কি না, আলভারেসের এমন প্রশ্নের জবাবে মেসি বলেন, ‘আমার তো মনে হয় না। তবে খুব ক্লান্ত থাকলে হতে পারে। কোন ভঙ্গিতে ঘুমাই তার ওপরও নির্ভর করে। পাশ ফিরে ঘুমালে কম হয়। চিৎ হয়ে শুধু খুব ক্লান্ত হলে ঘুমাই। এটা আন্তোনেলাকে জিজ্ঞেস করতে হবে।’
সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার মেসি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে জাতীয় দল এবং ক্লাবের হয়ে এমন কোনো সাফল্য নেই, যার দেখা পাননি। এত বড় তারকা হলেও মেসির জীবনটা আর দশটা বাবার মতোই। নিয়ম করে প্রতি দিন সকালে ছেলেদের স্কুলে নিয়ে যান। এই প্রসঙ্গে মেসি বলেন, ‘দিনভেদে ভিন্ন (ঘুম থেকে উঠার সময়)। কখনো ৬টা ৫০ মিনিট আবার কখনো ৭ টা। বাচ্চাদের স্কুলের সময়ের ওপর নির্ভর করে। আমি ওদের স্কুলে দিয়ে তারপর ট্রেনিংয়ে যাই। থিয়াগো, মাতো, সিরো (মেসির তিন ছেলে) সবাই টিফিন নেয়।’
ছেলেদের স্কুলে নিয়ে গেলেও অন্যান্য অভিভাবকদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয় না মেসিকে, ‘গাড়ি থেকে নামিয়ে দিলেই হয় (অন্য অভিভাবকদের সঙ্গে কথা)। একদিকে ভালো, অন্যদিকে আমরা অন্যরকম পরিবেশে অভ্যস্ত ছিলাম—অভিভাবকদের সঙ্গে পরিচয় হওয়া, বাচ্চাদের বন্ধুদের চেনা। এখন এমন হয়, থিয়াগো বা মাতেও বন্ধুর বাসায় যেতে চায়, কিন্তু আমরা তাদের বাবা-মাকেই চিনি না। তবে শান্তিও আছে, কারও মুখোমুখি হতে হয় না।’
স্ত্রী অ্যান্তোনেল্লা রোকুজ্জোকে ব্যবসায় সহায়তা করেন মেসি, ‘যাতে সে (রোকুজ্জো) শান্তিতে কাজ করতে পারে, সে জন্য পাশে থাকি। শুরুতে ওর জন্য কঠিন ছিল, কারণ বাচ্চাদের ছেড়ে যেতে চাইত না, স্কুলে নেওয়ার রুটিনও ছিল। ধীরে ধীরে সে মানিয়ে নিয়েছে, আর আমি বাচ্চাদের দায়িত্ব নিয়ে সাহায্য করি। ভালো লাগে যে সে নিজের কাজ উপভোগ করছে।’
রোকুজ্জোকে করা কীভাবে প্রপোজ করেছিলেন, সে অভিজ্ঞতার কথাও জানালেন মেসি, ‘এটা এমন কিছু ছিল, যেটা নিয়ে আমরা অনেক দিন ধরেই কথা বলছিলাম। খুব আনুষ্ঠানিক প্রপোজাল ছিল না। বরং ‘চলো করি’ ধরনের। যদিও ছোট্ট একটা আয়োজন ছিল।’