একসঙ্গে ইউরোপীয় ফুটবলে দুই দশক রাজত্ব করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসি। এ সময়ে অনেকবারই একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিলেন দুই কিংবদন্তি ফুটবলার। ২০০৯ সালে রোনালদো রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ায় প্রায় এক দশক লা লিগার সমর্থকদের রোমাঞ্চ উপহার দিয়েছেন দুজনে।
প্রতি মৌসুমে কমপক্ষে ২ বার একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিলেন মেসি-রোনালদো। লিগের ম্যাচের বাইরে অন্য টুর্নামেন্টের ম্যাচেও দেখা হতো তাঁদের। এতে করে এল ক্লাসিকো ম্যাচের রোমাঞ্চ বেড়ে গিয়েছিল অন্যরকম। কিন্তু সেই সব এখন অতীত। এক মহাদেশ ছেড়ে এখন দুজন দুই মহাদেশের বাসিন্দা।
সবশেষ বছরের শুরুতে আল নাসরে যোগ দিয়ে এশিয়ার ফুটবল মাতাচ্ছেন রোনালদো। অন্যদিকে গত বছরের মাঝামাঝি সময় ইন্টার মায়ামিতে যোগ দিয়ে আমেরিকান ফুটবলে জোয়ার সৃষ্টি করেছেন মেসি। এতে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা একদমই কম।
সে দিক থেকে প্রাক-মৌসুমের ম্যাচগুলো মিটিমিটি করে মেসি-রোনালদোর দ্বৈরথ হওয়ার আশার আলো দেখায়। গত বছর যেমন আল নাসরের বিপক্ষে প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি হিসেবে একটা ম্যাচ খেলেছিল পিএসজি। তখন দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর আবারও দেখা হয়েছিল। আগামী ১ ফেব্রুয়ারিতে আবারও তেমনি এক ম্যাচ হওয়ার কথা মেসি ও রোনালদোর বর্তমান দল আল নাসর ও মায়ামির মধ্যে। কিন্তু সময় ঘনিয়ে আসার মাঝে পথ বেঁকে বসেছে রোনালদোর চোট।
অবশ্য শুধু মিয়ামির বিপক্ষেই নয়, রোনালদো মিস করতে পারেন চীন সফরও। চীনে দুইটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা পাঁচবারের ব্যালন ডি অরজয়ীর। ২৪ জানুয়ারি সাংহাই সিনহুয়া এবং ২৮ জানুয়ারি জেজিয়াংয়ের বিপক্ষে ম্যাচ রয়েছে আল নাসর। সিআর সেভেনের চোট নিয়ে এখনো অবশ্য কিছু জানায়নি সৌদি আরবের ক্লাব। গত ৩০ ডিসেম্বর সর্বশেষ ম্যাচ খেলেছেন ৫৪ গোলে ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।