হোম > খেলা > ফুটবল

চাপের মুখে জরুরি বৈঠক ডাকলেন ফিফা সভাপতি

ক্রীড়া ডেস্ক    

বেশ চাপের মুখেই আছেন ইনফান্তিনো। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের আংশিক মালিকানা বিক্রির পরিকল্পনায় তৈরি হওয়া অস্থিরতায় বেশ চাপের মুখে আছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। এই পরিকল্পনা থেকে সরে এসেও স্বস্তিতে নেই তিনি। চাপের মুখে এবার ফিফার শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন ইনফান্তিনো। বুধবার মরক্কোতে এই বৈঠক হবে।

কয়েকটি আঞ্চলিক সংস্থার বিরোধিতার মুখে ফিফার বাণিজ্যিক ও ইভেন্ট পরিচালনা কার্যক্রমে বেসরকারি বিনিয়োগের পরিকল্পনা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন ইনফান্তিনো। বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠার পাশাপাশি এই ঘটনার জেরে তাঁর নেতৃত্বও এখন প্রশ্নের মুখে।

সমালোচনা আরও জোরালো হয়েছে ফিফার ভেতর থেকেই। সোমবার কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া এক চিঠিতে মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রম জানান, ইনফান্তিনোর সেই পরিকল্পনা সম্পর্কে আগে থেকে কিছুই জানতেন না তিনি। দ্য অ্যাথলেটিকের হাতে আসা সেই চিঠিতে গ্রাফস্ট্রম লেখেন, ‘ব্যক্তি, অস্থিতিশীল সময় এবং দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাগুলো আসে, আবার চলে যায়।’ একই সঙ্গে পুরো ঘটনাকে তিনি দুঃখজনক ও নিন্দনীয় ঘটনার ধারাবাহিকতা বলে উল্লেখ করেন।

এর আগে শুক্রবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফিফার প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা কেভিন লামুর বলেন, ‘কর্মীদের প্রতারিত করা হয়েছে এবং এফএফই ছিল একজন ব্যক্তির প্রকল্প"। যদিও তিনি কারও নাম উল্লেখ করেননি।

ফিফার গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গারও এই পরিকল্পনা থেকে নিজেকে সম্পূর্ণ দূরে সরিয়ে নিয়েছেন। সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘ফিফার সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে আমার অবস্থান পরিষ্কার করা প্রয়োজন। এই কৌশলগত পরিকল্পনায় আমি কোনোভাবেই যুক্ত ছিলাম না এবং প্রকল্পটির বিষয়ে প্রথম জানতে পারি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে।’

ওয়েঙ্গারের মতে, ‘এই প্রকল্প প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ছিল একেবারেই প্রয়োজনীয় এবং এতে কোনো প্রশ্নের অবকাশ নেই। কারণ আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ফিফা স্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত, যা অঙ্গীকার, স্বচ্ছতা ও সততার সঙ্গে ফুটবলের সেবা করবে।’

ফিফার বাইরে থেকেও ইনফান্তিনোর ওপর চাপ বাড়ছে। জর্ডান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাবেক ফিফা সভাপতি প্রার্থী প্রিন্স আলী বিন আল হুসেইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফিফার আচরণকে ব্ল্যাকমেইল আখ্যা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘জর্ডানে আমরা নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষায় গর্ববোধ করি। আমরা আগে তাকে সমর্থন করিনি, এখনও করব না। কিন্তু পুরো পরিস্থিতি ব্ল্যাকমেইলের শামিল, আর আমরা এর কাছে মাথা নত করব না।’

এদিকে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা ইতোমধ্যে ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। সংস্থাটির দাবি, বর্তমান সভাপতির নেতৃত্বের ওপর তাদের আর আস্থা নেই। আগামী বছরের নির্বাচনে ইনফান্তিনোর প্রতি দেওয়া সমর্থনও প্রত্যাহারের পথে ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, ওয়েলসের পর তারাও একই পথে হাঁটতে যাচ্ছে।

অন্যদিকে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) ও কনকাকাফ এখনো নেতৃত্ব পরিবর্তনের দাবি তোলেনি। তবে দুই কনফেডারেশনই দ্রুত এই বিতর্ক নিয়ে ইনফান্তিনোর কাছ থেকে ব্যাখ্যা চেয়েছে। ফলে ব্যর্থ এফএফই পরিকল্পনার ধাক্কা সামলে ওঠার পাশাপাশি নিজের নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখাও এখন ইনফান্তিনোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মেজাজ হারিয়ে গালি শুনলেন নেইমার

দাবানলে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য মেসির কোটি টাকার অনুদান

নিজেদের চেনা কোচের ওপরই ভরসা রাখল আইভোরি কোস্ট

ইনফান্তিনোর পরিকল্পনা জানতেন না ওয়েঙ্গারও

রোনালদোর বিয়েতে মেসি কী করবেন

ইনফান্তিনোকে সরাতে উঠে পড়ে লেগেছে বিরোধীরা

বাংলাদেশের যুব দলে আসছেন ইংল্যান্ডপ্রবাসী আব্বাস

ইংল্যান্ডের ‘চুরি করা’ আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের ব্যানার উদ্ধার

ডুলির কোচিং স্টাফে আরও তিন বিদেশি

রিয়াল মাদ্রিদে কী হয়েছিল, মুখ খুললেন আলোনসো