বিশ্বকাপে ‘এফ’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল নেদারল্যান্ডস। অপর ম্যাচে সুইডেনের মুখোমুখি হয়েছিল জাপান। এই দুই ম্যাচের ফলের ওপর নির্ধারণ হয়েছে শেষ ৩২-এ ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ।
‘সি’ গ্রুপের সেরা হয়ে নকআউটে পা রাখে ব্রাজিল। তাই আগেই জানা ছিল নকআউটে ‘এফ’ গ্রুপের রানার্সআপদের বিপক্ষে খেলবে কার্লো আনচেলত্তির দল। এই গ্রুপের রানার্সআপ হওয়ায় শেষ ষোলতে উঠার মিশনে জাপানকে পেয়েছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে সুইডেনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে জাপান। আগামী ২৯ জুন বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় নকআউটের ম্যাচে শক্তিশালী ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে নামবে এশিয়ার দলটি; ম্যাচটির ভেন্যু হিউস্টন।
অপর ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের কাছে পাত্তাই পায়নি তিউনিসিয়া। আফ্রিকার প্রতিনিধিদের ৩-১ গোলে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে উঠেছে ডাচরা; যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ‘সি’ গ্রুপের রানার্সআপ মরক্কো। মন্তেরে স্টেডিয়ামে ৩০ জুন সকাল সাতটায় মুখোমুখি হবে দুই দল। জাপানের সঙ্গে ড্র করে ‘এফ’ গ্রুপের তৃতীয় হয়েছে সুইডেন। ইউরোপের দলটিও সরাসরি নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে।
ডালাসে জাপান-সুইডেন ম্যাচের প্রথমার্ধে কোনো দল জালের দেখা পায়নি। দুটি গোলই হয়েছে বিরতির পর। ৫৬ মিনিটে দায়জেন মায়দার কল্যাণে লিড নেয় জাপান। রিতসু দোয়ানের থ্রু পাস পেয়ে আলতো ছোঁয়ায় ঠিকানা খুঁজে নেন স্প্যানিশ ক্লাব সেল্টিকের এই ফরোয়ার্ড।
অবশ্য লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি জাপান। ৬ মিনিটের মাথায় ম্যাচে ফেরে সুইডেন। দারুণ এক শটে জাপানের জাল কাঁপান অ্যান্থনি এলাঙ্গা। কিছুই করার ছিল না গোলরক্ষক সুজুকির। বাকি সময় উভয় দলই বেশকিছু সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় গোলের দেখা পায়নি।
কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে তিউনিসিয়ার মিডফিল্ডার এলিয়েস স্কিরির আত্মঘাতী গোলে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। সপ্তম মিনিটে ব্যবধান বাড়ান ব্রায়ান ববি। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইউরোপের দলটি। দ্বিতীয়ার্ধের নবম মিনিটের মাথায় নেদারল্যান্ডসের জালে বল জড়িয়ে লড়াই জমিয়ে তোলার আভাস দেন হাযেম মাস্তুরি। ৬২ মিনিটে ফান হেকে গোল করলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি তিউনিসিয়া। গ্রুপের একমাত্র দল হিসেবে সবকটি ম্যাচ হেরে বিদায় নিল তারা।