উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি জিততে চেষ্টার কমতি ছিল না পিএসজির। ক্লাব পর্যায়ে ইউরোপের সেরা হতে লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো সেরা তারকাদের দলে ভিড়িয়েছিল প্যারিসিয়ানরা। এজন্য কাতারি মালিকানাধীন দলটিকে ঢালতে হয়েছে কাড়ি কাড়ি টাকা। তবে মেসি, এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো ফুটবলারদের অধীনে চ্যাম্পিয়নস লিগের অধরা স্বপ্ন পূরণ হয়নি পিএসজির।
মেসি, এমবাপ্পে, নেইমাররা না পারলেও ঠিকই চ্যাম্পিয়নস লিগ স্বপ্ন পূরণ হয়েছে পিএসজির। গত মৌসুমে ইন্টার মিলানকে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরেছে ফরাসি ক্লাবটি। প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে মোটা অঙ্কের অর্থ পেয়েছে লুইস এনরিকের দল।
আগামী মাসে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে উয়েফার বার্ষিক সম্মেলন হবে। তার আগে গতকাল ২০২৪-২৫ মৌসুমের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা। উয়েফার প্রতিবেদন বলছে, চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে প্রাইজমানি বাবদ ১৪ কোটি ৪৪ মিলিয়ন ইউরো পেয়েছে পিএসজি। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২ হাজার ৬২ কোটি টাকা।
চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালটা হয়েছে একতরফা। মিউনিখের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় পিএসজির কাছে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত হয় ইন্টার। রানার্সআপ হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করেছে ইতালির শীর্ষ ক্লাবটি। ১৩ কোটি ৬৬ লাখ ইউরো পেয়েছে সান সিরোর প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১ হাজার ৯৪৭ কোটি টাকা।
নতুন ফরম্যাটের চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথমবার অংশ নিয়েছিল ৩৬ দল। স্বাভাবিকভাবেই প্রাইজমানিও বাড়িয়েছিল উয়েফা। চ্যাম্পিয়নস লিগের সবশেষ পর্বে দলগুলোর মধ্যে ২.৪৭ বিলিয়ন ডলার ভাগ করে দিয়েছে সংস্থাটি। একমাত্র অ্যাস্টন ভিলা ছাড়া কোয়ার্টার ফাইনালের বাকি সাতটি দলই পেয়েছে ১০ কোটি মিলিয়ন ইউরোর প্রাইজমানি। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকায় ৮ কোটি ৩৭ লাখ ইউরো পেয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবটি। ৪১ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফিরেছিল ভিলা।