আলজেরিয়ার বিপক্ষে বড় জয়ে বিশ্বকাপ শুরু করা আর্জেন্টিনার পুরো নজর এখন অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ ঘিরে। একইভাবে ‘এইচ’ গ্রুপের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে লিওনেল মেসিদের। কারণ অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু না হলে এই গ্রুপের যেকোনো এক দলের বিপক্ষেই সেরা ৩২-এ খেলতে নামবে আর্জেন্টিনা।
‘এইচ’ গ্রুপে স্পেন ছাড়াও আছে উরুগুয়ে, কেপ ভার্দে ও সৌদি আরব। গতকাল রাতে সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে স্প্যানিশরা। দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে সবার ওপরে অবস্থান করছে ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা। সমান দুই পয়েন্ট করে নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে উরুগুয়ে এবং কেপ ভার্দে। এক পয়েন্ট নিয়ে সবার নিচে সৌদি আরব।
‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে ওঠলে ‘এইচ’ গ্রুপের রানার্সআপ দলের বিপক্ষে নকআউটে খেলতে নামবে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ঘিরে তাই তৈরি হয়েছে নানা সমীকরণ। বর্তমান পরিস্থিতিতে উরুগুয়ে যদি স্পেনকে হারায় এবং কেপ ভার্দে জয় না পায়, তাহলে স্পেন রানার্সআপ হয়ে নকআউটে আর্জেন্টিনাকে পাবে। আবার উরুগুয়ে ও কেপ ভার্দে উভয় দল জিতলে গোল ব্যবধান, গোলসংখ্যা কিংবা প্রয়োজন হলে ফেয়ার প্লে সূচক দিয়ে নির্ধারিত হবে গ্রুপের অবস্থান।
অন্যদিকে কেপ ভার্দে জয় পেলে এবং উরুগুয়ে ড্র করলে আফ্রিকার দলটিই রানার্সআপ হয়ে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে। সৌদি আরবও এখনো পুরোপুরি সমীকরণের বাইরে নয়। উরুগুয়ে জয় না পেলে এবং সৌদি আরব নিজেদের শেষ ম্যাচ জিতলে তারাও রানার্সআপ হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।
এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব শেষে দলগুলোর পয়েন্ট সমান হলে অলিম্পিক পদ্ধতির টাইব্রেকার প্রয়োগ করা হবে। সে ক্ষেত্রে প্রথমে বিবেচনায় আসবে মুখোমুখি ম্যাচের ফল, এরপর গোল ব্যবধান, গোলসংখ্যা, সামগ্রিক গোল ব্যবধান, মোট গোল, শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ড এবং সবশেষে ফিফা র্যাঙ্কিং।