লিওনেল মেসি এখন প্যারিসে। কিন্তু মেসি যখন প্যারিসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই ন্যু ক্যাম্পে দেখা মিলেছিল ভিন্ন এক দৃশ্যের। ন্যু ক্যাম্প কর্তৃপক্ষ স্টেডিয়াম এলাকা থেকে একে একে সরিয়ে নিচ্ছিল মেসির সব পোস্টার।
খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মেসির পোস্টার সরিয়ে ফেলার ছবি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। একই সময়ে মেসির বিমান বন্দরে অবস্থানরত ছবিও ভাইরাল হয়। এরপর মেসির সঙ্গে প্যারিস যাত্রার একটি সেলফি তাঁর স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে লিখেন, ‘এক নতুন অভিযানের উদ্দেশে, সবকিছু নিয়ে!’ সেই ছবিও ভাইরাল হতে সময় লাগেনি।
২১ বছর ধরে এই বার্সেলোনা শহর ছিল মেসির সবকিছু। শুধু ক্লাব ক্যারিয়ারই নয়, বার্সেলোনার সঙ্গে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির সম্পর্ক ছিল আত্মিক। কাতালানবাসীও দীর্ঘ ২১ বছর মাথায় তুলে রেখেছিল মেসিকে। তাই এত দ্রুত মেসির ছবি সরিয়ে ফেলার সমালোচনাও করেছেন অনেক মেসি ভক্ত।
এর আগে মেসি–বার্সেলোনা চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর সবার চোখ ছিল তাঁর সম্ভাব্য নতুন গন্তব্যের দিকে। শুরুতে ম্যানচেস্টার সিটি ও পিএসজির নাম এক সঙ্গেই আলোচনায় এসেছিল। তবে সিটি ঘোষণা দিয়েই মেসিকে দলে টানার দৌড় থেকে সরে আসে। এরপর মেসির সঙ্গে দর-কষাকষিতে টিকে ছিল কেবল পিএসজি। আর শেষ পর্যন্ত পিএসজিই হলো মেসির শেষ ঠিকানা