শরণার্থী শিবিরে জন্ম নিলেও যে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা যায়, আলফানসো দেভিস তা প্রমাণ করে দিলেন। লাইবেরিয়ার পিতা-মাতার সন্তান দেভিসের জন্ম হয় ঘানায় এক শরণার্থীশিবিরে। দ্বিতীয় লাইবেরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় দেভিসের বাবা-মা তাঁদের সন্তানদের নিয়ে বিভিন্ন শরণার্থীশিবিরে ছুটতে থাকে। ২০০৫ সালে তারা কানাডায় স্থানান্তরিত হয়। সেখান থেকেই ফুটবলার হিসেবে গড়ে ওঠেন আলফানসো দেভিস।
কৈশোরের ক্লাব এডমন্টন ইন্টারন্যাশনাল থেকে বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখের মূল দলে খেলছেন তিন বছর ধরে। আজ কানাডার বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করার পর আবেগে আপ্লুত হয়ে ওঠেন এই অ্যাটাকিং লেফট ব্যাক। বায়ার্ন মিউনিখে লেফটব্যাক হিসেবে খেললেও কানাডা জাতীয় দলে তাকে ফরোয়ার্ড হিসেবেই ডাকা হয়েছে। কানাডার কোচ জন হের্ডমান বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করার পর আবেগ ধরে রাখতে না পেরে টুইট করেন আলফানসো দেভিস।
টুইটে দেভিস লিখেন, ‘শরণার্থীশিবিরে জন্মালে একটি শিশু সাধারণত এটি করতে পারে না। কিন্তু আমরা বিশ্বকাপে যাচ্ছি। কাউকেই তোমার স্বপ্নগুলো অবাস্তব বলতে দেবেন না। স্বপ্ন দেখুন, আর তা অর্জন করুন।’
কানাডার বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রয়েছেন-
গোলরক্ষক: জেমস প্যানটেমিস, মিলান বোরজান, ডেইন সেন্ট ক্লেয়ার
ডিফেন্ডাররা: স্যামুয়েল অ্যাডেকুগবে, জোয়েল ওয়াটারম্যান, অ্যালিস্টার জনস্টন, রিচি লারিয়া, কামাল মিলার, স্টিভেন ভিটোরিয়া, ডেরেক কর্নেলিয়াস
মিডফিল্ডস: লিয়াম ফ্রেজার, ইসমায়েল শঙ্কু, মার্ক-অ্যান্টনি কায়, ডেভিড ওথারস্পুন, জোনাথন ওসোরিও, আতিবা হাচিনসন, স্টিফেন ইউস্টাকিও, স্যামুয়েল পিয়েট
ফরওয়ার্ডস: তাজন বুকানন, লিয়াম মিলার, লুকাস ক্যাভালিনি, আইকে উগবো, জুনিয়র হোয়েলেট, জোনাথন ডেভিড, সাইল লারিন, আলফোনসো ডেভিস