সিরিজ শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু ‘কনকাশন বদলি’ বিতর্ক এখনো শেষ হয়নি! এ নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন সুনীল গাভাস্কার। ভারতের এই সাবেক অধিনায়ক ধুয়ে দিয়েছেন ভারতের টিম ম্যানেজমেন্টকে। ব্যাটিং অলরাউন্ডার শিবম দুবের বদলি হিসেবে পেসার হর্ষিত রানাকে নেওয়াটা অন্যায় বলেও মনে করেন গাভাস্কার।
ঘটনাটা ঘটেছিল ভারত-ইংল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে। পুনেতে হওয়া সেই ম্যাচে ৭৯ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে বসা ভারতকে টেনে তুলতে ৩৪ বলে ৫৩ রান করেছিলেন শিবম। ব্যাটিংয়ের সময় একটি বল তাঁর হেলমেটে আঘাত করলে তিনি পরে আর ফিল্ডিং করেননি। তাঁর কনকাশন বদলি হিসেবে খেলেন হর্ষিত রানা; পরে বল হাতে যিনি ভারতের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন। কনকাশন বদলির নিয়মানুযায়ী, বদলি হবে যতটা সম্ভব ‘লাইক-ফর-লাইক’। কিন্তু শিবমের জায়গায় খেলেছেন জেনুইন পেসার হর্ষিত।
আর এই নিয়েই ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন কেভিন পিটারসেন, অ্যালিস্টার কুক, মাইকেল ভনের মতো সাবেক তারকারা। ভারত যে নিয়ম মানেনি, সেটা বলেছেন সাবেক ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডও। ভারতের দুইভাবে নিয়ম ভাঙার কথা এবার বললেন সুনীল গাভাস্কার। ভারতের ‘মিড ডে’তে লেখা কলামে গাভাস্কার প্রশ্ন তুলেছেন, সত্যিই যদি কনকাশন বদলি নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে বল হেলমেটে লাগার পরই শিবম মাঠ থেকে উঠে গেল না কেন? গাভাস্কারের ভাষায়, ‘শিবম শেষ পর্যন্ত ব্যাট করল। ওর হেলমেটে বল লাগার পরেও উঠে গেল না। তা হলে কী ভাবে ওর কনকাশন পরিবর্ত নামানো যায়? যদি ও সঙ্গে সঙ্গে উঠে যেত তা হলে বিষয়টা মানা যেত। ওর কনকাশন পরিবর্ত নামানোর সিদ্ধান্তই ভুল।’
আর পরের ‘ভুল’টা ভারত করেছে ‘লাইক-ফর-লাইক’ বদলি না নিয়ে। গাভাস্কার বলছেন, আইসিসির নিয়মে আছে, উপযুক্ত পরিবর্ত নামাতে হবে, ‘কিন্তু শিবম ও হর্ষিতের মধ্যে একমাত্র দৈহিক উচ্চতা ও ফিল্ডিংয়ের মান ছাড়া কোনো মিল নেই। ইংল্যান্ডের ক্ষুদ্ধ হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। এই ভারত দুর্দান্ত একটা দল, এমন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের জয়কে কলঙ্কিত করার কোনো মানে হয় না।’