বোলিংটা ভালো হয়নি। ব্যাটিংয়ে আরও হতশ্রী অবস্থা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার মিছিল আশঙ্কা জাগিয়েছে ফলোঅনের। শেষ বিকেলে সাকিব আল হাসান ও ‘নাইটওয়াচম্যান’ তাইজুল ইসলাম টেনে ধরেছেন উইকেটের রাশ। তাতে কিছুটা স্বস্তি এলেও নির্ভার থাকার সুযোগ নেই মুমিনুল হকের দলের।
মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ফলোঅন আতঙ্ক নিয়েই আজ চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে বাংলাদেশ। দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে ৭ উইকেটে ৭৬ রান তুলেছে স্বাগতিক শিবির। মান বাঁচাতে মুমিনুলদের করতে হবে আরও ২৫ রান। হয়তো আজই অলআউট হতে পারত স্বাগতিকেরা। কিন্তু গুমোট পরিবেশে আলোকস্বল্পতায় দিনের খেলা ২৩ ওভার কম হয়েছে।
বাংলাদেশের বোলারদের প্রায় সবটুকু নির্যাস শুষে নিয়ে চার উইকেটে ৩০০ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে সফরকারী পাকিস্তান। জবাব দিতে নেমে শুরুতেই ধসে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার। তবে পেস আক্রমণ নয়, মুমিনুলরা দিশেহারা হলেন স্পিন বিষে। যদিও পাকিস্তানের বোলিং ইনিংস শুরুটা হয়েছে শাহিন আফ্রিদির পেস আক্রমণ দিয়ে।
ওভার শেষে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ। তাই আর পেস মোকাবিলা করতে হয়নি। দ্বিতীয় ওভার থেকে শুরু হয় পাকিস্তানের স্পিন আক্রমণ। যা সামলাতে হিমশিম খেতে হলো বাংলাদেশকে। ৩১ রানে চার উইকেট খুইয়ে বসে স্বাগতিক শিবির। ৭১ রানে সপ্তম উইকেটের পতন। সাজঘরে আসা-যাওয়ার মিছিলে দুই অঙ্কে যেতে পারলেন কেবল দুজন।
প্রথমজন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৩০ রানে আউট হন তিনি। তবে ওয়ানডে মেজাজে শুরু করা সাকিব টিকে থাকলেন ব্যক্তিগত ২৩ রানে। তাঁর সঙ্গী তাইজুল ১০ বল খেলে খুলতে পারেননি রানের খাতা। রানের খাতা খুলতে পারেননি আরও দুজন। তবে অভিষিক্ত ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ও মেহেদি হাসান মিরাজ দুজনই আউট হয়ে গেছেন। ছয় উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের টপ ও মিডল অর্ডার গুঁড়িয়ে দিয়েছেন সাজিদ খান। তবে স্বাগতিক অধিনায়ক মুমিনুলের উইকেটটা নিতে পারেননি ডানহাতি স্পিনার। মুমিনুল রানআউট হয়েছেন। অবশ্য সৌভাগ্যক্রমে এই পরিণতি হয়নি সাকিবের।