আফগানিস্তানের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার রহমত শাহ মারা গেছেন—হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল এমন গুজব। এক্সে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি পোস্টে দাবি করা হয়, ৩২ বছর বয়সে মারা গেছেন আফগান এই ব্যাটার। তবে পরে জানা যায়, পুরো ঘটনাটি ছিল ভুল অনুবাদ থেকে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি।
ঘটনার সূত্রপাত আফগান অলরাউন্ডার করিম জানাতের একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টকে কেন্দ্র করে। রহমতের একটি ছবি দিয়ে শোকবার্তা পোস্ট করেছিলেন জানাত। সেই পোস্টের স্বয়ংক্রিয় ইংরেজি অনুবাদ দেখেই অনেকে ধরে নেন, রহমত মারা গেছেন।
ইনস্টাগ্রামের অটো-ট্রান্সলেশনে করিম জানাতের পোস্টে লেখা ছিল, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে আমি আফগানিস্তান জাতীয় দলের ক্রিকেটার রহমত শাহর মৃত্যুর সংবাদ শুনেছি। এই বড় ট্র্যাজেডি আমাকে এবং সব ক্রিকেটপ্রেমীকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। একজন ক্রিকেটার হিসেবে আমি রহমত এবং তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহানুভূতি জানাচ্ছি। আল্লাহ যেন মরহুমকে জান্নাত দান করেন, তার কবর আলোকিত করেন এবং তার পরিবারকে এই শোক সহ্য করার ধৈর্য দেন। নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয়ই তাঁর কাছেই ফিরে যাব।’
পরে বিষয়টি খতিয়ে দেখে জানা যায়, ইনস্টাগ্রামের অনুবাদ পুরো বক্তব্যের অর্থই বদলে দিয়েছে। পোস্টে রহমত নয়, তাঁর মায়ের মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছিল।
মূল পোস্টটির সঠিক অনুবাদ ছিল, ‘আফগানিস্তান জাতীয় দলের ক্রিকেটার রহমত শাহর মায়ের মৃত্যুর সংবাদ আমি শুনেছি। এই বড় ট্র্যাজেডি আমাকে এবং সব ক্রিকেটপ্রেমীকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। একজন ক্রিকেটার হিসেবে আমি রহমত শাহ ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা ও সহানুভূতি জানাচ্ছি। আল্লাহ যেন মরহুমাকে জান্নাত দান করেন, তাঁর কবর আলোকিত করেন এবং পরিবারকে এই শোক সহ্য করার ধৈর্য দেন। নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয়ই তাঁর কাছেই ফিরে যাব।’
পরে রহমান শাহ সুস্থ ও ভালো আছেন—এ তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর স্বস্তি ফিরে আসে ভক্তদের মধ্যে। একই সঙ্গে যাচাই ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে না দেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন অনেকেই।
সবশেষ গত বছরের অক্টোবরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আফগানিস্তানের হয়ে খেলেছিলেন রহমত শাহ। চোটের কারণে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি।