মেয়েদের ক্রিকেটে বরাবরই শক্তিশালী দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বিশ্বকাপে আজ প্রথমবার ক্যারিবিয়ান মেয়েদের বিপক্ষে খেলতে নামে বাংলাদেশ নারী দল। দারুণ বোলিংয়ে ১৪০ রানেই শক্তিশালী ক্যারিবিয়ান ব্যাটিং লাইনআপকে বেঁধে ফেলেন বাংলাদেশ বোলাররা। তবু পুড়তে হয়েছে পরাজয়ের বেদনায়, ৪ রানের দূরত্বে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে সালমা-জাহানারাদের।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৪০ রানে আটকে রাখতে বড় ভূমিকা রাখেন বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার। ১০ ওভারে ৩ মেডেনসহ ২৩ রান খরচায় নেন ২ উইকেট। পরে ওপরের ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে ব্যাটিংয়েও দলের জয়ের আশা হয়ে ছিলেন নাহিদা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রানে অপরাজিত থেকে হারের বেদনা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাঁকে।
শেষ দিকে নাহিদার সঙ্গে একজন ব্যাটার থাকলে ফলটা ভিন্ন হতে পারত বলে মনে করেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ব্যাটারদের ব্যর্থতা নিয়ে হতাশা ফুটে উঠেছে বাংলাদেশ অধিনায়কের কণ্ঠে। জ্যোতি বলেছেন, ‘(এমন হারের পর) হতাশা তো থাকবেই। আরও ২ পয়েন্ট পাওয়ার অনেক বড় সুযোগ ছিল। সুযোগটা হাতছাড়া হওয়ায় স্বাভাবিকভাবে সবার মন খারাপ।’
ব্যাটারদের ব্যর্থতা নিয়ে হতাশ জ্যোতি বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলকে এত অল্প রানে আটকানো, এরপর খুব কাছাকাছি গিয়ে এ রকমভাবে হারা। শেষ পর্যন্ত নাহিদা অনেক চেষ্টা করেছে, যদি একজন ব্যাটার তাকে সাপোর্ট দিতে পারত, তাহলে ফলটা আলাদা হতে পারত। আমাদের ভালো জুটির অভাব ছিল। আমার উচিত ছিল শেষ পর্যন্ত খেলে যাওয়া। তাহলে আরও ভালো কিছু হতো।’