এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে স্রেফ উড়ে গেছে শ্রীলঙ্কা। আফগানদের বোলিংয়েই মূলত দিশেহারা হয়ে যায় লঙ্কানরা। বাংলাদেশেরও শঙ্কার নাম হতে পারে আফগানদের বোলিং। রশীদ খান-মোহাম্মদ নবী-মুজিব-উর রহমান—স্পিনত্রয়ী তো আছেই। ফজলহক ফারুকী-নবীন-উল-হকরাও মুহূর্তেই ম্যাচের চিত্র বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।
তবে রশিদ কিংবা ফারুকীকে নিয়ে আলাদা করে ভাবছে না বাংলাদেশ। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আজ এমনটাই বলেছেন শ্রীধরন শ্রীরাম। বাংলাদেশ দলের নতুন টেকনিক্যাল কনসালটেন্ট বলেছেন, ‘আফগানিস্তান বিপজ্জনক দল। ওরা শুধু রাশিদ খানের ওপর নির্ভর করে না। সে বিশ্বসেরা একজন বোলার। কিন্তু আমাদের চিন্তা করতে হবে আমরা আফগানিস্তানের সঙ্গে ম্যাচ খেলছি। শুধু রাশিদ, নবী বা ফজল হক ফারুকীর চিন্তা না করে পুরো দলের চিন্তা করছি।’
পরশু শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং লাইনআপের মেরুদণ্ডই ভেঙে দিয়েছিলেন ফারুকী। তাঁকে দারুণ সঙ্গ দেন নবীন-নবীরা। সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন ফারুকী। এর দুটিই আবার শ্রীলঙ্কার ইনিংসে প্রথম ওভারে পরপর দুই বলে। এই ভয়ংকর ফারুকীকে অবশ্য আগে থেকেই চেনা বাংলাদেশের। গত ফেব্রুয়ারিতে ঘরের মাঠে বাংলাদেশ ব্যাটারদের চরম পরীক্ষাই নিয়েছিলেন এই তরুণ বাঁহাতি পেসার। তবে এসব না ভেবে এই মুহুর্তে নিজেদের পরিকল্পনা নিয়েই থাকতে চান শ্রীরাম, ‘আমরা নিজেদের গেম স্টাইল নিয়ে স্পষ্ট আছি। আমরা কী করতে চাই তা জানি। মাঠের বিষয়য়ে যদি বলি …শারজাতে আমরা বেশ কয়েকবার খেলেছি। এখানে কী হতে পারে তা জানি। আর শারজাতে আগে থেকেই অনুশীলন সুবিধা তেমন নেই। তবু অমরা মাঠে যতটুকু পেয়েছি তাতে খুশি।’
টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের দুর্বলতার জায়গা পাওয়ার হিটিং। এটা নিয়ে কাজ করছেন শ্রীরাম। বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের পাওয়ার হিটিংয়ের সার্মথ্য আছে বলে মনে করেন এই ভারতীয় কোচ, ‘পাওয়ার হিটিংটা ওদের অবশ্যই আছে। সামর্থ্য নেই যে তা না। কিন্তু ব্যাপারটা হলো ওই আত্মবিশ্বাসটা ওদের দরকার। সেটা নিয়ে আমরা কথা বলেছি, নিজেদের প্রমাণ করার ব্যাপারে বলেছি।’