দারুণ খেলতে থাকার পরও আচমকা ব্যাটিং ধস বাংলাদেশ দলের নিয়মিত চিত্র হয়ে উঠেছে। লিটন দাসদের সে চিত্রই যেন আজ ফুটে উঠল ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বড় সংগ্রহের পথেই ছিল সফরকারী দল। কিন্তু মোস্তাফিজুর রহমান, নাসুম আহমেদদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ১৪৯ রানেই থেমেছে ক্যারিবীয়রা।
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওভারেই আঘাত হানেন তাসকিন আহমেদ। এই পেসারের করা তৃতীয় বলে তাওহীদ হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ব্রেন্ডন কিং। শুরুতেই উইকেট হারালেও বাংলাদেশকে ভোগাতে থাকেন আলিক আথানেজ ও শাই হোপ জুটি। স্বাগতিকর বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ১০৫ রান যোগ করেন তাঁরা। ১২তম ওভারে নাসুম আহমেদ আথানেজকে বিদায় করলে এই জুটি ভাঙে। ৩৩ বলে ৫২ রান এনে দেন আথানেজ।
এই ওপেনার ফেরার পরই তাসের ঘরে পরিণত হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিং লাইন। ১১৮ রানের মধ্যে শেরফানে রাদারফোর্ড, হোপ, রোভম্যান পাওয়েল ও জেসন হোল্ডারকেও হারায় অতিথিরা। চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ফেরার আগে ৫৫ রান এনে দেন হোপ। ৩৬ বলে তিনটি করে চার এবং ছয়ে সাজানো অধিনায়কের ইনিংস। বাকিরা সবাই হতাশ করেছেন দলকে।
১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে অলআউটের শঙ্কায় ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু রোস্টন চেজ ও রোমারিও শেফার্ডের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে শেষ পর্যন্ত পুরো ২০ ওভার খেলতে পেরেছে তারা। ১৭ রানে অপরাজিত থাকেন চেজ। ১৩ রান করেন শেফার্ড। ১৬ বল খেললেও তাঁর ইনিংস ওয়েস্ট ইন্ডিজকে মাজারি মানের পুঁজি এনে দিতে সাহায্য করেছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৫০ আগে আটকে রাখার দিনে বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল মোস্তাফিজ। ৩ উইকেট নেন এই বাঁ হাতি পেসার। ৪ ওভারে ২১ রান দেন তিনি। নাসুম ও রিশাদের শিকার দুটি করে উইকেট। ৩ ওভারে ২০ রান দেন রিশাদ। এই লেগস্পিনারের চেয়ে আজ একটু বেশই খরুচে ছিলেন নাসুম। এই বাঁ হাতি স্পিনারের ৪ ওভার থেকে ৩৫ রান নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।