ইনিংসের শুরু থেকেই রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বোলারদের বিপক্ষে আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট চালিয়ে গেছেন তাওহীদ হৃদয়। সেঞ্চুরির খুব কাছেই ছিলেন। কিন্তু আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাজিক্যাল ফিগার ছোঁয়া হয়নি এই ব্যাটারের। ৩ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দিনের প্রথম ম্যাচে রাজশাহীর বিপক্ষে বড় পুঁজি নিয়েই মাঠ ছেড়েছে রংপুর রাইডার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান তোলেছে নুরুল হাসান সোহানের দল। একবারের চ্যাম্পিয়নদের এই পুঁজিতে সবচেয়ে বড় অবদান হৃদয়ের। ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দিয়েছেন রংপুরের এই ব্যাটার।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে হারের পর ব্যাটারদের কাঠগড়ায় দাঁড় করান রংপুরের স্পিন বোলিং কোচ মোহাম্মদ রফিক। পরিবর্তিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এদিন ওপেনিং করতে নামেন হৃদয়। তাতে বেশ সফল তিনি। শেষ ৭ ওভারে খুশদিল শাহকে নিয়ে তোলেন ৯৮ রান। এর মধ্যে শেষ ৫ ওভারেই আসে ৭৪ রান। ৮ চার ও ৬ ছক্কায় সাজানো হৃদয়ের ৫৬ বলের ইনিংস। স্ট্রাইকরেট ১৭৩.২১। ৭ ইনিংসে ২০৩ রান নিয়ে ব্যাটারদের তালিকার চারে উঠে এলেন হৃদয়। প্রথম ৬ ইনিংসে ১০৬ রান করেছিলেন তিনি। এবার রাজশাহীর বিপক্ষেই খেললেন সেঞ্চুরি ছোঁয়া ইনিংস।
২৯ বলে ৪৪ রান এনে দেন খুশদিল। এই দুজন ছাড়া রংপুরের আর কোনো ব্যাটার রাজশাহীর বোলারদের সামনে দাঁড়াতে পারেননি। আগের ৬ ইনিংসে ১২৯ রান করেছিলেন লিটন দাস। এদিন তাঁর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১১ রান। ১৪ বল খেলেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার।
রাজশাহীর হয়ে সন্দীপ লামিচানে, তানজিম হাসান সাকিব, রিপন মন্ডল ও জেমস নিশাম একটি করে উইকেট নেন। রান খরচায় সবচেয়ে হিসেবি ছিলেন লামিচানে। ৪ ওভারে ২১ রান দেন এই লেগস্পিনার। তবে উদার হাতে রান বিলিয়েছেন রিপন। ১৪ ইকোনমি রেটে এই পেসারের খরচ ৫৬ রান।