হোম > খেলা > ক্রিকেট

৮ মাসেই ক্রিকেটে যত নতুন নিয়ম আনল আইসিসি

ঘন ঘন নিয়ম পরিবর্তন হতে দেখা যায় ক্রিকেটে। প্রতি বছরই দেখা যায়, পুরোনো নিয়ম সংশোধন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন নিয়মের সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। 

২০২৩-এর মে মাসেই তিনটি নিয়ম পরিবর্তন করেছিল আইসিসি। সফট সিগন্যাল, বাধ্যতামূলক হেলমেট পরা, ফ্রি হিটে রান—এগুলোর সঙ্গে পরিচিত হয় ক্রিকেট বিশ্ব। এরপর ৫ অক্টোবর থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত হয়েছে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপ পরবর্তী আইসিসির বোর্ড সভায় নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে। এরপর ২০২৪ সাল শুরু হতে না হতেই বেশ কিছু নিয়মে পরিবর্তন এনেছে আইসিসি।  

সফট সিগন্যাল:
নতুন নিয়মের ক্ষেত্রে টিভি আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তের উল্লেখের ক্ষেত্রে আম্পায়ারদের আর সফট সিগন্যাল দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। অন-ফিল্ড আম্পায়ার যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে টিভি আম্পায়ারের সঙ্গে আলোচনা করতে পারবেন।  

হেলমেট:  
মাঠে খুব ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে দাঁড়ালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক। ঝুঁকিপূর্ণ তিন ক্ষেত্রে এই প্রতিরোধ নিতে হবে ক্রিকেটারদের। ১. ফাস্ট বোলারদের মুখোমুখি হওয়ার সময়, ২. স্ট্যাম্পের পেছনে দাঁড়ানো উইকেটরক্ষকদের এবং ৩. যখন উইকেটের সামনে ফিল্ডাররা ব্যাটারদের খুব কাছে দাঁড়াবেন।  

ফ্রি হিটে রান:  
ফ্রি হিট বল স্টাম্পে লাগলেও ব্যাটাররা রান নিলে সেটি বৈধতা পাবে এখন থেকে। অর্থাৎ, ফ্রি হিটে ব্যাটার বোল্ড হলেও দৌড়ে রান নিতে পারবেন।  

স্টপ ক্লক পদ্ধতি: 
২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসকে ‘টাইমড আউট’ করেন সাকিব আল হাসান। এ নিয়ে পরে হয়েছে অনেক আলোচনা-সমালোচনা। বিশ্বকাপের পরে আহমেদাবাদে আইসিসির বোর্ড সভায় সময়ের অপচয় রোধ করতে নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছিল। নির্দিষ্ট কোনো ওভার শেষ হওয়ার পর ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে নতুন ওভারের বোলিং শুরু করতে হবে। যদি ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে নতুন ওভার বোলিং দল শুরু করতে না পারে আর এমন ঘটনা যদি তিনবার হয়, তাহলে এর পুরস্কার পাবে ব্যাটিং দল। অতিরিক্ত ৫ রান যোগ হবে ব্যাটিং দলের স্কোরকার্ডে। দুই ওভারের মাঝে কী পরিমাণ সময় ব্যয় হচ্ছে, তার জন্য ‘স্টপ ক্লক’ পদ্ধতি চালু করা হবে। এ বছরের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪-এর এপ্রিল পর্যন্ত ছেলেদের ওয়ানডে ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘স্টপ ক্লক’ পদ্ধতি চালু করতে রাজি আইসিসি।  

স্টাম্পিং ও ক্যাচ আউটের ক্ষেত্রে আলাদা রিভিউ: 
স্টাম্পিং, ক্যাচ আউট—উইকেটরক্ষকদের ‘এক ঢিলে দুই পাখি’ মারার মতো দুই আউটের আবেদন করার সুযোগ এবার থাকছে না। ক্রিকইনফোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্লেয়িং কন্ডিশনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্টাম্পিংয়ের ক্ষেত্রে তৃতীয় আম্পায়ার শুধু স্টাম্পিংটাই দেখতে পারবেন। স্টাম্পিং আউট নিয়ে সিদ্ধান্ত এবার সাইড অন ক্যামেরায় দেখানো হবে। এজ হয়েছে কি না তা যাচাই করবেন না আম্পায়ার। ক্যাচ আউটের ক্ষেত্রে ফিল্ডিং দলকে আলাদা রিভিউ নিতে হবে। ২০২৩-এর ১২ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়েছে। কোনো বোলারের বল অনেক সময় ব্যাটারের ব্যাট ঘেঁষে চলে যায় উইকেটরক্ষকের কাছে। তখন উইকেটরক্ষক দ্রুত স্টাম্পের বেল ফেলে আবেদন করলে তৃতীয় আম্পায়ার স্টাম্পিং, ক্যাচ-দুই ধরনের আউট একসঙ্গে যাচাই করে দেখতেন। 

কনকাশন বদলির নিয়মে পরিবর্তন: 
কনকাশন বদলির ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনছে আইসিসি। বদলি খেলোয়াড় চাইলেও বোলিং করতে পারবেন না যদি পুরোনো খেলোয়াড়ের বোলিংয়ে নিষেধাজ্ঞা থাকে।

টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে ২৮ হাজারে দ্রুততম কোহলি

আফগান বাপ-বেটার ঔজ্জ্বল্যে নোয়াখালীর জয়

ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বাংলাদেশি আম্পায়ার

শান্ত-ওয়াসিম ঝড়ে জয়ে ফিরল রাজশাহী

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন করতে প্রস্তুত পাকিস্তান

তাওহীদ হৃদয়ের ৩ রানের আক্ষেপ

জেমিমাকে উপহার দিলেন গাভাস্কার, রাখলেন প্রতিশ্রুতি

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে লিটনদের

বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেও প্লে-অফে রিশাদের হোবার্ট

চট্টগ্রামকে পেছনে ফেলে রংপুর কি শীর্ষে ফিরতে পারবে