অপরাজিত থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করা ভারত সুপার এইটের শুরুতেই পেয়েছে বড় হারের তিক্ত স্বাদ। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৭৬ রানে হেরে সেমিফাইনালের পথটা কঠিন করে ফেলেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। এরপরও আশা ছাড়ছেন না সূর্যকুমার যাদব। শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সুপার এইটের ‘এ’ গ্রুপে ভারতের বাকি দুই ম্যাচ জিম্বাবুয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। শেষ চারের আশা বাঁচিয়ে রাখতে দুটি ম্যাচেই জিততে হবে আয়োজকদের। এরপর তাকিয়ে থাকতে হবে নিট রান রেটের দিকে। সব সমীকরণ মিলে গেলেই কেবল সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে পারবে গৌতম গম্ভীরের দল। এত কিছু না ভেবে আপাতত নিজেদের স্বভাবজাত ক্রিকেটের দিকেই মনোযোগ দিতে চান সূর্য।
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর সূর্য বলেন, ‘আশা করি, ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং–তিন বিভাগেই আমরা ভালো করব (বাকি দুই ম্যাচ)। চেষ্টা করব সবকিছু স্বাভাবিক রাখতে। আমরা যে ব্র্যান্ডের ক্রিকেট আমরা খেলে আসছি সেটাই ধরে রাখার চেষ্টা করব। কোনো কিছু বদলাতে যাব না। আশা করি, আমরা শক্তভাবেই ফিরে আসব।’
আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে জিততে হলে ১৮৮ রান করতে হতো ভারতকে। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে প্রথম ৫ ওভারেই প্যাভিলিয়নে হাঁটেন ইশান কিষান, তিলক বর্মা এবং অভিষেক শর্মা। এই ধাক্কা সামলে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ভারত। ম্যাচ হারের জন্য তাই পাওয়ার প্লের ব্যাটিংকেই দায়ী করছেন সূর্য। একই সঙ্গে প্রোটিয়া ব্যাটারদের প্রশংসা করতেও ভুল করেননি তিনি।
সূর্য বলেন, ‘খেলা শুরু হওয়ার পর আমরা ভালোভাবেই ম্যাচে ছিলাম। শুরুতে আমাদের বোলিং দারুণ হয়েছে। ২০ রান করতেই ওরা ৩ উইকেটে হারিয়েছিল। ৭ থেকে ১৫ ওভার পর্যন্ত ওরা দুর্দান্ত ব্যাট করেছে। পরে আবার আমরা ভালোভাবে ফিরে এসেছি। সব মিলিয়ে বোলিং আমরা ভালোই করেছি, তবে ব্যাটিং আরেকটু ভালো করতে পারতাম।’
ভারতীয় অধিনায়ক আরও বলেন, ‘১৮০-১৮৫ রান তাড়া করার সময় মনে রাখতে হবে যে, পাওয়ার প্লেতেই ম্যাচ জেতা যাবে না। তবে এই সময়ে ম্যাচ হেরে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। পাওয়ার প্লেতে আমরা অনেক বেশি উইকেট হারিয়েছি। এরপর ছোট ছোট যে জুটিগুলো প্রয়োজন ছিল, আমরা তা গড়তে পারিনি। আমরা এখান থেকে শিখব, চিন্তা করব এবং শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াব।’