আজ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ব্যক্তিগত র্যাঙ্কিং হালনাগাদ করেছে আইসিসি। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছেন নাসুম আহমেদ, সৌম্য সরকার, তানজিম হাসান সাকিবরা। তাঁরা উন্নতি করলেও অবনতি হয়েছে তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমনা, লিটন দাসদের।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ব্যাট হাতে ১৪০ রান করেন সৌম্য। ২৪ ধাপ এগিয়ে ৬২ নম্বরে আছেন এই বাঁ হাতি ব্যাটার। হেরফের হয়নি তাওহীদ হৃদয়ের। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৫ নম্বরে আছেন তিনি। এক ধাপ এগিয়ে ৪২ নম্বরে উঠে এসেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। চোটের কারণে ক্যারিবীয়নদের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে পারেননি লিটন। ৫ ধাপ পিছিয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ৯৬ নম্বরে আছেন তিনি।
ওয়ানডে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে ২৪ ধাপ এগিয়েছেন নাসুম। ৪৭ তম স্থানে আছেন এই স্পিনার। ২৭ ধাপ এগিয়ে ৬৮ নম্বরে উঠে এসেছেন আরেক স্পিনার তানভীর ইসলাম। ৪ ধাপ উন্নতি করেছেন রিশাদ হোসেন। ৬২ নম্বরে আছেন এই লেগস্পিনার। এক ধাপ এগিয়ে ১৭ তম স্থানে আছেন মেহেদি হাসান মিরাজ। সমান ২ ধাপ করে পিছিয়েছেন তাসকিন, মোস্তাফিজ ও শরিফুল। তাঁদের অবস্থান ৪০,৬০ ও ৬৩ নম্বরে। ৪ ধাপ পিছিয়েছেন সাকিব। ৭৭ তম স্থানে আছেন এই পেসার। ওয়ানডে অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে ২ ধাপ উন্নতি করেছেন রিশাদ। ৩৫ তম স্থানে আছেন নীলফামারির এই ক্রিকেটার।
ওয়ানডে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে পেছালেও টি–টোয়েন্টি অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে ১৮ ধাপ উন্নতি করেছেন সাকিব। ৬৮ নম্বরে আছেন তিনি। ৩৯ ধাপ এগিয়ে সাকিবের উপরের স্থানটিতেই আছেন নাসুম। টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে ৭ ধাপ পিছিয়েছেন শামিম পাটোয়ারি। ৯৭ তম স্থানে আছেন এই মারকুটে ব্যাটার। ২ ধাপ পিছিয়ে ২০ নম্বরে আছেন সাইফ হাসান। ২ ধাপ উন্নতি করেছেন হৃদয়। ৪৩ নম্বরে উঠে এসেছেন এই তরুণ ব্যাটার।