হোম > খেলা > ক্রিকেট

নাসিরের কাছ থেকে যা শিখেছেন আকবর

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

সদ্য শেষ হওয়া এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে আকবর আলীর অধিনায়কত্বে খেলেছেন নাসির হোসেন। ছবি: ফাইল ছবি

বাংলাদেশের জার্সিতে সাত বছর আগে সবশেষ খেলেছেন নাসির হোসেন। প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটেও মাঝে ১৫ মাস নিষিদ্ধ ছিলেন তিনি। কিন্তু নাসিরের পারফরম্যান্সে তাতে মোটেও ভাটা পড়েনি। ৩৩ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারের কাছ থেকে তরুণ আকবর আলী শিখেছেন অনেক কিছু শিখেছেন।

এ বছর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) দিয়ে ১৫ মাসের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরেছেন নাসির। কখনো ব্যাটিং, কখনো বোলিং, কখনোবা দুই বিভাগেই সমান তালে অবদান রেখে চলেছেন নাসির। ৩৩ বছর এই ক্রিকেটার কদিন আগে শেষ হওয়া এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে রংপুরের হয়ে খেলেছেন। চ্যাম্পিয়ন এই দলের অধিনায়ক ছিলেন আকবর। রংপুরের জার্সিতে এবার ৯ ম্যাচে ২৫.১৪ গড় ও ১১৫.৭৮ গড়ে করেছেন ১৭৬ রান। একটি ফিফটিও করেছেন এই টুর্নামেন্টে।

সদ্য শেষ হওয়া এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে নাসিরের পরিসংখ্যান আহামরি না হলেও ছিল অসাধারণ ইমপ্যাক্ট। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রামের বিপক্ষে করেছেন ফিফটি। ফাইনালে ঢাকা মহানগরের বিপক্ষে ৪৬ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার পেয়েছেন। বোলিংয়ে পুরো টুর্নামেন্টে ৫.৭৪ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৬ উইকেট। ৩৩ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারের এমন পারফরম্যান্স অনুপ্রাণিত করেছে রংপুর অধিনায়ক আকবরকে। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আকবর বলেন, ‘‘নাসির ভাই অনেক দিন পর ক্রিকেটে ফিরেছেন। টুর্নামেন্টের শুরুতে ব্যাটিংয়ে তিনি অনেক শেষের দিকে নামছিলেন। তরুণ ক্রিকেটারদের ওপরের দিকে খেলাতে চেয়েছিলেন। যখন সেই জায়গায় ভালো হচ্ছিল না, তখন তিনি নিজে থেকে দায়িত্ব নিলেন এবং বললেন, ‘ঠিক আছে, আমিই গিয়ে সেটা করার চেষ্টা করি।’ আর পুরো মাঠের ভেতরের কথা যদি বলেন, তিনি আমার মনে হয় যে বাংলাদেশে যত সূক্ষ্ম ক্রিকেটজ্ঞান আছে, তাদের মধ্যে নাসির ভাই অন্যতম।’

২০২০ সালে তাঁর নেতৃত্বে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। রংপুরের অধিনায়ক হয়ে সদ্য শেষ হওয়া এনসিএল টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে তিনি পেয়েছেন টুর্নামেন্টসেরার পুরস্কার। ২৯ গড় ও ১৪৯.২৬ স্ট্রাইকরেটে করেন ২০৩ রান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও তাঁর দুটি সেঞ্চুরি রয়েছে। তবে আকবরের সতীর্থ তানজিদ হাসান তামিম, তাওহীদ হৃদয়, শরীফুল ইসলাম, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, তানজিম হাসান সাকিব, পারভেজ হোসেন ইমনরা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত খেলছেন।

বর্তমানে লিটন দাস, জাকের আলী অনিক, নুরুল হাসান সোহানের মতো একাধিক উইকেটরক্ষক ব্যাটার খেলছেন বাংলাদেশ দলে। আকবরও তো উইকেটরক্ষক ব্যাটার। যদি উইকেটরক্ষক ব্যাটারের পরিবর্তে বোলার-ব্যাটার হতেন, তাহলে কি দ্রুত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আসতে পারতেন—এমনটা অবশ্য মনে করেন না আকবর। আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুব বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক বলেন, ‘না, মনে হয় না। কারণ, সব জায়গাই চ্যালেঞ্জিং। আপনি কখনো বলতে পারবেন না এটা কম চ্যালেঞ্জিং আর ওটা বেশি চ্যালেঞ্জিং। জাতীয় দলের কথা যদি বলেন, প্রতিটি জায়গার জন্য লড়াই করতে হবে। পাঁচ-ছয় বছর আগে বলা হতো, বাংলাদেশে পেস বোলার নেই। এখন দেখুন, বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে কতটা প্রতিযোগিতা হয়। এখন বাংলাদেশে অনেক বাঁহাতি বোলার আছে। কোনো জায়গাই সহজ বলে আমার মনে হয় না।’

রংপুর কি হ্যাটট্রিক হার এড়াতে পারবে

টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে ২৮ হাজারে দ্রুততম কোহলি

আফগান বাপ-বেটার ঔজ্জ্বল্যে নোয়াখালীর জয়

ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বাংলাদেশি আম্পায়ার

শান্ত-ওয়াসিম ঝড়ে জয়ে ফিরল রাজশাহী

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন করতে প্রস্তুত পাকিস্তান

তাওহীদ হৃদয়ের ৩ রানের আক্ষেপ

জেমিমাকে উপহার দিলেন গাভাস্কার, রাখলেন প্রতিশ্রুতি

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে লিটনদের

বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেও প্লে-অফে রিশাদের হোবার্ট