হোম > খেলা > ক্রিকেট

আসিফের ৪ ছক্কায় পাকিস্তানের টানা তিন জয় 

১৮তম ওভারের শেষ বলে শাদাব খান ১ রান নিতে চেয়েছিলেন।  দৌড়ে উইকেটের মাঝামাঝি এলেও সেখান থেকে তাঁকে ফিরিয়ে দেন আসিফ আলী। আত্মবিশ্বাসের জোরেই শাদাবকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন আসিফ। পরের ওভারে স্ট্রাইকে এসে যা করে দেখালেন সেটি তো আসলে আত্মবিশ্বাসেরই চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত।
   
করিম জানাতকে ছয় মেরে শুরু, ছয় মেরে শেষ। মাঝে আরও দুটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। ওই ওভারে ৪ ছয়ে আফগানদের স্বপ্ন ভাঙেন আসিফ। এক ওভার আর ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান। আর এই জয়ে বিশ্বকাপে টানা তিন জয় পেল বাবর আজমের দল।  

শেষ ৩৬ বলে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৫১ রান। নিজের তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই মোহাম্মদ হাফিজকে ক্যাচ বানান রশিদ খান। লং অনে দাঁড়িয়ে গুলবাদিন নাঈব হাফিজকে তালুবন্দী করতেই অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেন  রশিদ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ১০০ উইকেট শিকারির ক্লাবে ঢুকে পড়েন  আফগান এই তারকা লেগ স্পিনার। মাইলফলক স্পর্শ করার সঙ্গে ম্যাচটাও জমিয়ে তোলেন রশিদ। ওই ওভারে  দেন ৪ রান। 

রশিদের শেষ ওভারে আবারও ঝলক। এবার ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে বাবরের ক্যাচ ফেলেন নবীন-উল হক। পরের বলেই বাবরকে বোল্ড করে দেন ২৩ বছর বয়সী এই আফগান লেগ স্পিনার। ৪৭ বলে ৫১ রানে বাবর ফিরলে ভালো সম্ভাবনা তৈরি করে আফগানিস্তান। তবে ১৯তম ওভারে সব  উড়িয়ে দেন আসিফ আলী। করিম জানাতকে ৪ ছয় হাঁকিয়ে জয়ের সমীকরণ মেলান এই পাকিস্তানি ব্যাটার। 

আফগানদের দেওয়া ১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে মোহাম্মদ রিজওয়ানের উইকেট হারায় পাকিস্তান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে অবশ্য দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ফখর জামানকে নিয়ে বাবর আজম ৫২ বলে ৬৩ রানের জুটি বিশ্বকাপে তৃতীয় জয়ের আশা দেখায় পাকিস্তানকে। পরে ফখর  ৩০ আর মোহাম্মদ  হাফিজ ১০ আর শোয়েব মালিক ১৯ রান করে ফিরলেও পাকিস্তানিদের আশাহত করেননি আসিফ। শেষ দিকে আসিফের ৭ বলে ২৫ রানের টর্নেডো ইনিংসে লক্ষ্যে পৌঁছায় পাকিস্তান।
 
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই হজরতুল্লাহ জাজাইয়ের উইকেট হারায় আফগানিস্তান। ইমাদ ওয়াসিমের বলে শর্ট থার্ডম্যানে রানের খাতা খোলার আগেই হ্যারিস রউফের হাতে ক্যাচ দেন জাজাই। শাহিন আফ্রিদির  পরের ওভারে ফিরে যান আরেক ওপেনার মোহাম্মদ শেহজাদ। শুরুতে দুই উইকেট হারালেও পরের ওভারেই ইমাদ ওয়াসিমকে প্রতি আক্রমণ করে আফগানিস্তান। দুই ছয়, এক চারে ওই ওভারে ১৭ রান তোলেন আসগর আফগান ও রহমানুল্লাহ গুরবাজ। 

এদের দুজনের কেউই অবশ্য ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। দুজনই ফিরেছেন পাওয়ার প্লের মধ্যেই। পাওয়ার প্লেতে ৪ উইকেট হারালেও ৪৯ রান তোলে আফগানিস্তান। উইকেটে থিতু হতে পারেননি নাজিবুল্লাহ জাদরান আর কারিম জানাতও। জানাত ১৫ আর জাদরান ফিরেছেন ২২ রানে। ৭৬ রানে ৬ উইকেট পড়লে আফগানরা যখন দ্রুত অল আউট হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় তখনই উইকেটে দাঁড়িয়ে যান মোহাম্মদ নবী ও গুলবাদিন নাঈব। সপ্তম উইকেটে এই দুজনের ৪৫ বলে ৭১ রানের জুটিতে ১৪৭ রানের লড়াইয়ের পুঁজি পায় আফগানিস্তান। নবী ২০ বলে ৩০ আর নাঈব ২৫ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।

‘খলনায়ক’ রিয়াদের ব্যাটেই জিতল রংপুর

২ ম্যাচ খেলেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে ক্রেমার

কারা আছেন বাংলাদেশের যুব বিশ্বকাপ দলে

৪০০ উইকেটের ক্লাবে মোস্তাফিজ

ভক্তদের সঙ্গে যেটা হচ্ছে, সেটা সাকিবের খুব খারাপ লাগে

‘ক্রিকেট বোর্ড ভাঙতে পারে, আবার আইসিসিতেও যেতে পারে’

৭ ‘নতুন মুখ’ নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা

অ্যাশেজে অপেক্ষা ফুরাচ্ছে ম্যাথু পটসের

ঢাকাকে উড়িয়ে জয়ে ফিরল চট্টগ্রাম

জুনে অস্ট্রেলিয়া, আগস্টে বাংলাদেশে আসছে ভারত