হোম > খেলা > ক্রিকেট

সাকিব যদি খেলতে চান খেলবেন, তবে…

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে করোনা আক্রান্ত হন সাকিব আল হাসান। পরে বিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট থেকে সাকিবের ছিটকে পড়ার কথা জানায়। তবে তিন দিন পর তিন দফা করোনা পরীক্ষায় নেগেটিভ হয়েছেন এ বাঁহাতি অলরাউন্ডার।

সাকিবের কোভিড নেগেটিভের খবরে স্বস্তি বাংলাদেশ দলে। বাঁহাতি অলরাউন্ডার চাইলেই খেলতে পারবেন প্রথম টেস্টে, এমনটাই বলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তবে সাকিবকে খেলতে হলে আগে ফিটনেস ট্রেনারের ছাড়পত্র লাগবে বলেও শর্ত জুড়ে দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি।

আজ বিসিবির পক্ষে থেকে সাকিবের করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেখানে নেগেটিভ হয়েছেন এই অলরাউন্ডার। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চট্টগ্রামে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন তিনি। প্রথম টেস্টে খেলার আগ্রহ আছে সাকিবের। তাই তাঁকে বাধা না দিলেও ফিটনেস পরীক্ষায় উতরে যেতে হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবির প্রধান। 

চট্টগ্রামে দলের সঙ্গে হোটেলে সাক্ষাৎ শেষে সংবাদমাধ্যমকে পাপন বলেছেন, ‘সাকিব যদি খেলতে চায়, তাহলে ও খেলবে। ওকে তো না করার কোনো সুযোগ নেই। সেটা নিশ্চিতভাবে দেখা হবে। ও অনুশীলন করুক, তারপর যদি মনে করে খেলবে, তাহলে আমাদের বলবে এবং ফিটনেস ট্রেনার যদি ছাড়পত্র দিয়ে দেন, তাহলে খেলবে।’ 

যদিও করোনা থেকে ফিরে পাঁচ দিনের ক্রিকেটে খেলাটা কঠিন হতে পারে সাকিবের জন্য। তাই সিদ্ধান্তটা একান্ত সাকিবের ওপরই ছেড়ে দিলেন পাপন, ‘হয়তো সে খেলতে পারে, আবার নাও খেলতে পারে। এটা আসলে বলাটা মুশকিল। ওর (সাকিবের) ওপর, টিমের ওপর এবং মেডিকেল টিমের ওপর নির্ভর করছে। এখানে আবেগী হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু করোনা নেগেটিভ হয়ে খেলা এটা যদি ওডিআই হতো আমরা বলতাম খেলো। কিন্তু এটা পাঁচ দিনের খেলা, আমরা চাইব না ওর জন্য বাড়তি চাপ হোক বা ক্ষতির কারণ হোক। তাই আমরা সাবধানে যাব এবং তাঁকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া আছে।’

তামিমদের ‘ক্যাপ্টেনস কার্ডে’ কী কী সুবিধা পাবেন অধিনায়কেরা

দিনে ম্যাচ হওয়ায় বেশি চিন্তিত নিউজিল্যান্ড

বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ দেখবেন কোথায়

দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন তামিম

গেইলের রেকর্ড ভেঙে কোহলি-ওয়ার্নারকে তাড়া করছেন বাবর

সৌম্যকে কি এবার সুযোগ দেবেন মিরাজ

তামিমের সঙ্গে কী কথা হয়েছে মিরাজের

পুরো ফিট না হয়েও খেলে যাচ্ছেন কোহলি

বিসিবির কমিটিতে ইশরাকের ভাই মাশরুর

হারের বৃত্তে আটকে থাকা কলকাতার ‘বড় ভুল’ কোথায়