মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে পাকিস্তান ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু করেও সেশন নিজেদের করে নিতে পারেনি। ১১ রানের ব্যবধানে দুই ওপেনারকে ফিরিয়ে দারুণ কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। দিনের প্রথম সেশনে পাকিস্তানের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৭৮ রান।
চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টের মতো দুই ওপেনার আবিদ আলী এবং আবদুল্লাহ শফিক শুরুটা করেন দেখেশুনে। প্রথম ৯ ওভার খালেদ আহমেদ ও ইবাদত হোসেন পাকিস্তানের এই দুই ব্যাটারের খুব একটা পরীক্ষা নিতে পারেননি। দশম ওভারে নিজের প্রথম ওভারে বোলিংয়ে আসেন সাকিব আল হাসান। ততক্ষণে আবিদ-শফিকের জুটি ফিফটি পেরোয়। ১৬তম ওভারে আশা জাগিয়েছিলেন সাকিব। শফিকের বিপক্ষে এলবিডব্লুর আবেদনের পর রিভিউ নিয়েছিল বাংলাদেশ।
রিভিউ পক্ষে না এলেও শফিক ইনিংস আর খুব বেশি লম্বা করতে পারেননি। উদ্বোধনী এই ব্যাটারকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন তাইজুল। ব্যক্তিগত ২৫ রান করে শফিক ফিরলে ভাঙে ৫৯ রানের উদ্বোধনী জুটি। তাইজুল তাঁর পরের ওভারে আবারও সম্ভাবনা জাগান। আজহার আলীর বিপক্ষে এলবিডব্লুর আবেদনে রিভিউ অবশ্য এবারও কাজে আসেনি।
২৫তম ওভারে ঠিকই কাজের কাজ করেন তাইজুল। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান আবিদকে বোল্ড করেন এই বাঁহাতি স্পিনার। পাকিস্তানের রান তখন ৭০।
সেশনের বাকি অংশে আর উইকেট না হারিয়ে ৮ রান যোগ করে বাবর আজমের দল। আজহার ৬ ও বাবর ৮ রানে অপরাজিত আছেন।