হোম > খেলা > ক্রিকেট

৪ রানে ৬ উইকেট শেষ, ঢাকা লিগে বিজয়দের বাজে হার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

এনামুল হক বিজয়ের নেতৃত্বাধীন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ৯৩ রানে অলআউট। উইকেট নেওয়ার পর এভাবেই উদযাপন করেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ছবি: সংগৃহীত

চোখের পলক ফেলতে ন্যুনতম যে সময় লাগে, সেটার আগেই ব্যাটাররা ড্রেসিংরুমে ফিরছেন। বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে আজ ৪ রানেই ৬ উইকেট হারিয়েছে এনামুল হক বিজয়ের নেতৃত্বাধীন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। ভয়ংকর বিপর্যয়ে পড়া দলটি স্কোরবোর্ডে যা রান করেছে, সেটাও লড়াই করার মতো নয়।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) আজ গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স খেলেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা গাজী স্কোরবোর্ডে ১০০ রানও জমা করতে পারেনি। দলটিও হেরেছে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে।

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের অধিনায়ক আকবর আলী। ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স হারায় অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়ের উইকেট। এই উইকেটটি নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম ও ক্যাচ ধরেছেন উইকেটরক্ষক আকবর। একই ওভারের পঞ্চম বলে মোহাম্মদ সালমান হোসেন ইমনকে ফিরিয়েছেন শরীফুল। এই উইকেটটিও কট বিহাইন্ড।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে কোনো উইকেট হারায়নি গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। তবে তৃতীয় ওভারেই দলটি যেন চোখে সর্ষেফুল দেখতে থাকে। শরীফুলের করা ওভারে পড়েছে ৩ উইকেট। ওভারের প্রথম বলে রান আউট হয়েছেন গাজীর আরেক ওপেনার সাদিকুর রহমান। ওভারের চতুর্থ ও শেষ বলে শরীফুল নিয়েছেন জোড়া উইকেট। আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, শেখ পারভেজ জীবন দুজনেই বোল্ড হয়েছেন ও দুজনেই ফিরেছেন শূন্য রানে। বিপ্লব মেরেছেন গোল্ডেন ডাক।

চতুর্থ ওভারের চতুর্থ বলে শামসুর রহমান শুভকে বোল্ড করেছেন তানজিম হাসান সাকিব। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের স্কোরকার্ডে তখন ৩.৪ ওভারে ৪ রানে ৬ উইকেট। এমন পরিস্থিতিতে ৫০ রানও মনে হচ্ছিল অনেক দূরের পথ। সপ্তম উইকেটে তখন ৪৭ রানের জুটি গড়েন তোফায়েল আহমেদ ও ওয়াসি সিদ্দিকী। এই জুটি ছাড়া গাজীর ইনিংসে বলার মতো কিছু ছিল না। ৩৮.৫ ওভারে ৯৩ রানে অলআউট হয়েছে দলটি। ৯ নম্বরে নামা আবদুল গাফফার সাকলাইনের ২৬ রান গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের ইনিংস সর্বোচ্চ।

৯৪ রানের লক্ষ্যে নেমে ২১৭ বল হাতে রেখে ১০ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেছে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। ১৩.৫ ওভারে বিনা উইকেটে ৯৭ রান তুলে ফেলে দলটি। ৪৬ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় ৬৫ রান করেন তানজিদ হাসান তামিম। তাঁর সঙ্গী সাইফ হাসান করেন ৩৮ বলে ২৭ রান। ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন শরীফুল। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের এই বাঁহাতি পেসার ১৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। ১০ ওভার বোলিং করে মেডেন দিয়েছেন ৩ টি।

আইসিসি বাংলাদেশের সঙ্গে অবিচার করেছে: ক্রীড়া উপদেষ্টা

হ্যাটট্রিক জয়ে বিশ্বকাপের আরও কাছে বাংলাদেশ

ক্রিকেটারদের সঙ্গে কী আলোচনা হয়েছিল ক্রীড়া উপদেষ্টার

বাংলাদেশ বিশ্বকাপে যাবে না, সরকারি সিদ্ধান্ত

বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে চলছে লিটনদের বৈঠক

বিপিএল ফাইনাল নিয়ে বিসিবি সভাপতির সঙ্গে মেহেদীর কী কথা হয়েছে

বিসিবি-সরকার যা বলবে, খেলোয়াড় হিসেবে সেটাই করা উচিত—বিশ্বকাপ ইস্যু নিয়ে মেহেদী

বাংলাদেশের দাবি আইসিসি না মানলে বিশ্বকাপ বর্জন করবে পাকিস্তানও

মিরাজ মানসিকভাবে শান্তিতে ছিল না, বলছেন সিলেটের কোচ

বাংলাদেশ ম্যাচের আড়াই বছর পর হ্যাটট্রিকের দেখা পেল আফগানিস্তান