ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৩৫৬ রানের জবাবে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া বাংলাদেশের নাটকীয় ঘুরে দাঁড়ানোর নায়ক তাওহীদ হৃদয়। রান তাড়ায় পিছিয়ে থাকায় শঙ্কায় পড়েও শেষ পর্যন্ত লিড নিয়েছে স্বাগতিকেরা। ৩৮৬ রানে অলআউট হয়ে ৩০ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের এই রানে বেশিরভাগ অবদান হৃদয়ের। তাঁর ব্যাট থেকেই আসে ২৪২ রান। বাকিরা মিলে করেন ১৪৪ রান। চতুর্থ বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি করলেন হৃদয়। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে নিজের প্রথম সেঞ্চুরিকেই ডাবলে রুপ দিলেন তিনি। ২২ চার ও ১১ ছক্কায় ইনিংস সাজানো তাঁর ইনিংস। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ডও হৃদয়ের দখলে।
রান তাড়ায় একপ্রান্ত আগলে রেখে রানের চাকা সচল রাখেন হৃদয়। কখনো মুশফিকু রহিম, আবার কখনো মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলামকে সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন। অন্যপ্রান্তে সঙ্গীদের হারালেও মাটি কামড়ে ক্রিজে টিকে ছিলেন হৃদয়। প্রয়োজনে দেখেশুনে খেলেছেন আবার সুযোগ পেলে চার-ছক্কা মেরেছেন।
ডাবল সেঞ্চুরি করার পথে তাইজুলকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি পথ পাড়িয়ে দেন হৃদয়। তাঁদের অষ্টম উইকেট জুটিতে ১১৭ রান পায় বাংলাদেশ। ২২ রান করে ফিরলেও তাইজুলের অবদান কোনো অংশেই কম না। মুশফিককে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে ৭৩ রান যোগ করেন হৃদয়। এ ছাড়া ষষ্ঠ উইকেটে মিরাজের সঙ্গে ৪১ রান এনে দেন তিনি। অর্থাৎ দলের ইনিংস একাই টেনেছেন এই ব্যাটার।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ রানে আসে মুশফিকের ব্যাট থেকে। এ ছাড়া তাইজুল ২২, শান্ত ১৮ ও মিরাজ করেন ১৬ রান। ১০৪ রানে ৪ উইকেট নেন জোমেল ওয়ারিক্যান। জেডন সিলসের শিকার দুটি।