অপেক্ষা ছিল এক উইকেটের। শুভাগত হোম চৌধুরী ঝুলিতে পুরলেন ২ উইকেট। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ৩০০ উইকেটের ক্লাবে প্রবেশ করেছেন এই অলরাউন্ডার। তাঁর মাইলফলকের দিনে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন তানভীর ইসলাম। এছাড়া ব্যাট হাতে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন আল আমিন জুনিয়র।
খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ময়মনসিংহের সঙ্গে খুলনার রানবন্যার ম্যাচটি ড্রয়ের পথে ছিল। হয়েছেও তাই। প্রথম ইনিংসে সৌম্য সরকারের সেঞ্চুরিতে ভর দিয়ে ৩৮৭ রান তোলে স্বাগতিকরা। জবাবে তৃতীয় দিন শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে সমান রান করে ময়মনসিংহ। আল আমিন ৬২ ও আরিফ আহমেদ ৫৯ রান নিয়ে শেষ দিন ব্যাট করতে নামেন।
সেঞ্চুরির আশা জাগিয়েও ফিরে যান আরিফ। ব্যক্তিগত ৮১ রানে হালিমের শিকারে পরিণত হন তিনি। ভুল করেননি আল আমিন। ১০২ রানে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার। আরিফের সমান ৮১ রান আসে আজিজুল হাকিম তামিমের ব্যাট থেকে। নাঈম শেখের অবদান ৫৭ রান। ৪৫৯ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে সফরকারী দল।
৭২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে খুলনা। দলীয় ৮৬ রানে ৫ উইকেট হারায় তারা। এরপরও কোনো অঘটনের সাক্ষী হতে হয়নি খুলনাকে। ম্যাচ ড্র হওয়ার আগে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে খুলনার সংগ্রহ ছিল ১৪০ রান। আফিফ হোসেন ধ্রুব ৩৮ রানে অপরাজিত ছিলেন। সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন সৌম্য সরকার। ৪৬ রানে ২ উইকেট নেন শুভাগত। সামিউন বাশির রাতুলকে মাহফিজুল ইসলাম রবিনের ক্যাচ বানিয়ে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। এরপর ইমরানুজ্জামানকেও ফেরান শুভাগত।
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে তৃতীয় দিন শেষেই ঢাকার বিপক্ষে জয়ের ভীত তৈরি করে রেখেছিল বরিশাল। ৬ উইকেটের জয়ে শেষ হাসি হেসেছে তারা। দ্বিতীয় ইনিংসে ঢাকাকে ১৬৯ রানে অলআউট করে জয়ের পথ প্রশস্ত করে তারা। ৬৪ রানে ৭ উইকেট নেন তানভীর। ১০২ রানের সহজ লক্ষ্য দাঁড়ায় বরিশালের সামনে। ৪১ রানে আদিল বিন সিদ্দিক ও ফজলে মাহমুদ রাব্বিকে হারালেও কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি তাদের। ইফতেখার হোসেন ইফতির ৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে ভর করে সহজ জয় তুলে নেয় বরিশাল।