হোম > খেলা > ক্রিকেট

নিজেকে ‘স্কাই’য়ে নিয়ে যাচ্ছেন সূর্য!

সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে নাম ও কাজ দুই দিক থেকেই আকাশের সম্পর্ক। নামের সংক্ষিপ্ত রূপটা তাঁকে দিয়েছে ‘স্কাই’ তকমা। বড় বড় ছক্কা হাঁকিয়ে বরাবরই আকাশের সঙ্গে সম্পর্কের জানান দিচ্ছেন সূর্য। স্কুপ, পুল কিংবা হুক শটে ওপর দিয়ে বল পাঠাতেই যেন তাঁর পছন্দ। এরই মধ্যে টি-টোয়েন্টিতে ৫০টি ছক্কা মেরে এক পঞ্জিকাবর্ষে দারুণ এক কীর্তিও গড়েছেন তিনি।

টানা তিন ম্যাচে ৫০ পেরোনো ইনিংস খেলেছেন তিনটি। গতকাল গুয়াহাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ছক্কা-চারের ফুলঝুরি ছুটিয়ে ২২ বলে ৬১ রান করেছেন সূর্য কুমার। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ১০০০ রানের মাইলফলকও ছুঁয়েছেন তিনি। সূর্যকুমারের লেগেছে ৩৩ ইনিংস। 

গতকাল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট আরও একটি কীর্তি গড়েছেন সূর্যকুমার। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, কলিন মুনরো, এভিন লুইস ও থিসারা পেরেরাদের ছাড়িয়ে সবচেয়ে কম বল খেলে দ্রুততম হাজার রান করার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন ‘স্কাই’। এই রান করতে খেলেছেন মাত্র ৫৭৩ বল।  স্বাভাবিকভাবেই তাঁর স্ট্রাইকরেট চোখ কপালে ওঠার মতো—১৭৪। 

এ রেকর্ডে তিনি পেছনে ফেলেছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। ‘ম্যাক্সি’ ১০০০ রান করতে খেলেছেন ৬০৪ বল। তাঁর স্ট্রাইকরেট ছিল ১৬৬। নিউজিল্যান্ডর কলিন মুনরো ৬৩৫ বলে ১৫৭ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ১০০০ রান। এ মাইলফলক ছুঁতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এভিন লুইস ৬৪০ এবং শ্রীলঙ্কার সাবেক অলরাউন্ডার থিসারা পেরেরা  খেলেছিলেন ৬৫৪ বল। 

আরেকটি জায়গায়ও সবার ওপরে নাম লিখে ফেলেছেন সূর্য। পাকিস্তানের মোহাম্মদ রিজওয়ানকে ছাড়িয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ডের মালিক এখন তিনি। রিজওয়ান ৪২ ছক্কা মেরেছিলেন গত বছর। ইনিংস খেলেছিলেন ২৬টি। সূর্যকুমার পাকিস্তানি ব্যাটারকে ছাড়িয়ে গেলেন ৫ ইনিংস কম খেলেই। ৪১ ছক্কা মেরে এই তালিকায় আছেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনার মার্টিন গাপটিল।

বৃষ্টি বাধার পর বাংলাদেশ-ভারত লড়াইয়ের অপেক্ষা, তবে...

ঢাকা কি রংপুরের প্লে-অফের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে

বিশ্বকাপের আগে জিম্বাবুয়ে দলে বাংলাদেশের সাবেক কোচ

বিপিএলে ২০০ রানের দেখা নেই, কারণ কী

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে সাবেক আফগান পেসার

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের

বাংলাদেশের বিশ্বকাপ-জট খুলবে কি

মঈন ঝড় থামিয়ে কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী

বিপিএল থেকে বাদ পড়ে নবিকে নিয়ে হাহাকার নোয়াখালী অধিনায়কের

বিপিএলে শরীফুলের এমন সাফল্যের রহস্য কী