আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে টি-টোয়েন্টির শীর্ষ দল ভারত। আরব আমিরাতের অবস্থান ১৫ নম্বরে। এশিয়া কাপে আজ দুই দলের ম্যাচটি তাই অসম লড়াইয়ের।
তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগে ‘যে কাউকে হারিয়ে দেওয়া’র আত্মবিশ্বাস আরব আমিরাতের। অধিনায়ক মোহাম্মদ ওয়াসিম বলেন, কয়েক মাস ধরেই কঠোর পরিশ্রম করেছেন তাঁরা। খেলাটা যেহেতু টি-টোয়েন্টি, এই সংস্করণে, ‘যেকোনো দলকে হারিয়ে দিতে পারি আমরা।’
আইসিসির সহযোগী সদস্যদেশ হলেও সংযুক্ত আরব আমিরাত এই সংস্করণে আইসিসির পূর্ণ সদস্য তিন দেশ আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে। একাধিকবার হারিয়েছে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশকে। এবার এই তালিকায় এশিয়ার অন্যতম দুই ক্রিকেট পরাশক্তি ভারত-পাকিস্তানের নামটাও যোগ করতে চান ওয়াসিম। তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারলে ভারত কিংবা পাকিস্তানকেও হারিয়ে অঘটন ঘটাতে পারি।’
অঘটন ঘটানোর ক্ষমতা কতটা রাখে আরব আমিরাত, তারই বড় একটা পরীক্ষা হয়ে যাবে আজ। ভারত একে তো ফেবারিট, তার ওপর দুর্দান্ত ছন্দে আছে তারা। সূর্যকুমার যাদব, শুবমান গিল, হার্দিক পান্ডিয়া, জসপ্রীত বুমরা—সবাই একেকজন ম্যাচ উইনার। তাঁদের নিয়ে ভারত গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ২৭টি ম্যাচ খেলেছে, যার ২৪টিতেই জিতেছে তারা। হার মাত্র ৩টি।
তাই ভারতের বিপক্ষে জিততে চাইলে শুধু নিজেদের সেরা খেলাটাই আরব আমিরাত খেললে হবে না, ভারতীয় দলকেও খেলতে হবে তাদের সবচেয়ে বাজে খেলাটা। আমিরাতের কোচও অবশ্য ভারতীয়—লালচাঁদ রাজপুত। ভারতীয় দল সম্পর্কে তাঁর ভালো জানা। এই দলকে হারাতে হলে কী করতে হবে, সেটাও তাঁর অজানা নয়। পরিকল্পনা কাজে লাগিয়ে যদি ভারতকে সত্যিই হারিয়ে দেয় আমিরাত, তবে সেটি হবে বছরের তো বটেই, টি-টোয়েন্টি ইতিহাসেরই অন্যতম বড় অঘটন!
দুবাইয়ের পিচ চিরাচরিতভাবে মন্থর প্রকৃতির। এ বছরের শুরুতে ভারত যখন চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ম্যাচ খেলেছিল দুবাইয়ে, তখন তারা একাদশ সাজিয়েছিল চার স্পিনার নিয়ে। তবে এখানে এশিয়া কাপের ম্যাচগুলো তুলনামূলকভাবে নতুন ও প্রাণবন্ত উইকেটেই হওয়ার সম্ভাবনা। যে কারণে জসপ্রীত বুমরার সঙ্গে ভারতীয় দলে দেখা যেতে পারে দ্বিতীয় পেসারও।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে মাত্র একবারই ভারতের মুখোমুখি হয়েছে আরব আমিরাত। ২০১৬ সালের এশিয়া কাপের সেই ম্যাচে ৯ উইকেটে হেরেছিল আরব আমিরাত। এবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে আরব আমিরাত?