হোম > খেলা > ক্রিকেট

দ্বিতীয়বার আইপিএল জিতে কোহলির সেই স্বপ্ন এখন সত্যি

ক্রীড়া ডেস্ক    

ফাইনালে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন বেঙ্গালুরুর সাবেক অধিনায়ক। ছবি: ক্রিকইনফো

আরশাদ খানের করা লেন্থ বলটিকে একটু পিছিয়ে লং-অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে সীমানা ছাড়া করলেন বিরাট কোহলি। এরপর গ্যালারির দিকে ইশারা করে দুই হাত কাপের মতো করে নেড়ে উদযাপন করেন। সঙ্গে সঙ্গে সতীর্থরা মাঠে ছুটে এসে উল্লাসে মেতে ওঠেন। আইপিএলের ফাইনালে গুজরাট টাইটানসকে ৫ উইকেটে হারানোর পর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ক্রিকেটারদের উদযাপন ছিল চোখে পড়ার মতো।

আইপিএলের প্রথম ১৭ মৌসুমে শিরোপাহীন ছিল বেঙ্গালুরু। অবশেষে গত মৌসুমে প্রথমবার অধরা শিরোপা জেতে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। গুজরাটকে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখল এবারও। গত মৌসুমের মতো এবারও বেঙ্গালুরুর শিরোপা জয়ে বিরাট অবদান রেখেছেন কোহলি। ৬৭৫ রান করে টুর্নামেন্টের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তিনি। তবে কোহলির জন্য সদ্য শেষ হওয়া আইপিএলটা স্মরণীয় হয়ে থাকবে অন্য কারণে। জয়সূচক রান আসবে তাঁর ব্যাট—এমন স্বপ্ন অনেক দিন ধরেই দেখতেন তিনি। অবশেষে স্বপ্নপূরণের আনন্দে ভাসছেন কোহলি।

ফাইনালে বেঙ্গালুরুকে জেতানোর পথে ৪২ বলে ৭৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন কোহলি। জেতেন ম্যাচসেরার পুরস্কার। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তারকা ব্যাটার বলেন, ‘অনেকবার এই মুহূর্তটার কল্পনা করেছি যে, আমরা আইপিএলের শিরোপা জিতেছি এবং জয়ের শট আমার ব্যাট থেকে এসেছে। আমাদের যে দল রয়েছে তাতে যে সব সময়ই আত্মবিশ্বাসী থাকা যায়। ক্রিকেট এখন এমনই হয়ে গিয়েছে যে তরুণ ক্রিকেটাররা প্রতি মুহূর্তে ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে। প্রতি মুহূর্তে আরও ভালো খেলার অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।’

ফাইনালের আগে সতীর্থদের স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলার বার্তা দিয়েছিলেন কোহলি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি ছেলেদের বলেছিলাম, গত বারের মতো চাপ এবার নেই। আমরা জানতাম এই দল কী করতে পারে। আমরা লিগে শীর্ষে শেষ করেছিলাম। কীভাবে খেলেছি সেটা সবাই দেখেছে। আমরা একটাই কথা নিজেদের মধ্যে বলেছিলাম, যদি নিজেদের মতোই ক্রিকেট খেলতে পারি এবং পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারি তা হলে কেউ আমাদের হারাতে পারবে না। এই কারণেই গ্রুপ পর্বে আমরা এত ভাল খেলেছি। তা ছাড়া এই দলের দক্ষতা, মানসিকতা এবং চারিত্রিক দৃঢ়তা আজ সকলেই দেখতে পেয়েছে।’

গোটা দলের পারফরম্যান্সে খুশি কোহলি, ‘সবাই অসাধারণ ক্রিকেট খেলেছে। এত বছর অপেক্ষা করেছি। কিন্তু এই দলটা একত্র হওয়ার পর এখন মাঠে নামলে এটা মনে হয় না যে আমাকেই জেতাতে হবে। আমি জানি যে পেছনে এবং পাশে বাকিরা রয়েছে যারা দলকে জেতাতে পারে। এতগুলো ক্রিকেটার ম্যাচের সেরার পুরস্কার পেয়েছে। হ্যাজলউড, ভুবনেশ্বর, ডাফির মতো বিশ্বসেরা বোলারেরা দলে রয়েছে। ক্রুণালের ওপর বরাবর ভরসা করা যায়। এ বার রাসিখ দার অসাধারণ খেলেছে। ব্যাটাররাও নিজেদের মতো অবদান রেখেছে। ভারসাম্য থাকা এই দলটার অংশ হতে পেরে খুব খুশি। এখন আমরা অলরাউন্ড দল। তাই জন্যই মাঠে নামলে আলাদা আত্মবিশ্বাস থাকে।’

আইপিএলে আগে যা দেখা যায়নি, তাই করে দেখালেন সূর্যবংশী

এবার নেদারল্যান্ডসের কাছেও হার জ্যোতিদের

ভারতে তামিম নেই আইসিসির সভায়, বিসিবির তথ্য নেবে আইসিসি

‘ক্রিকেট বোর্ড হবে জনগণের, কোনো গ্রুপের না’

অবসরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের ‘চাচা’

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিষেক হচ্ছে জেসির

রেকর্ড ভাঙা-গড়ার খেলায় মেতেছেন সূর্যবংশী

পরিবারের সঙ্গে ঈদের আমেজে ক্রিকেটাররা

৩৯ বছর বয়সে ক্যারিয়ারসেরা র‍্যাঙ্কিংয়ে মুশফিক

বাংলাদেশ সিরিজে অনিশ্চিত অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক