বাবা মোশাররফ হোসেন রুবেল যে অনন্তকালের পথে পাড়ি জমিয়েছেন, এখনো বুঝে উঠতে পারছেন না ছেলে রুশদান। রুশদানের বুঝে ওঠার আগেই যে বাবা ওকে ছেড়ে ছেলে গেছেন। বাবা সুস্থ হয়ে আবার ফিরে আসবে, সে অপেক্ষায় আছে ছোট্ট রুশদান। নিজের মতো ছেলেকেও ক্রিকেটার বানানোর ইচ্ছে ছিল রুবেলের।
নিজের স্বপ্নটা পূরণ করার আগেই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেছেন রুবেল। তবে রুবেলের স্বপ্ন পূরণ করার প্রত্যয় স্ত্রী চৈতি ফারহানা রূপার।
আজ রুবেলের বাসায় গিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। সে সময় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন চৈতি। জানান স্বামীর ইচ্ছার বিষয়টি, ‘রুবেলের খুব ইচ্ছা ছিল ছেলেটাকে ভালো একজন ক্রিকেটার বানানোর। আমি সর্বোচ্চ পরিমাণে চেষ্টা করব, ওকে একজন ক্রিকেটার হিসেবে তৈরি করার। মেয়র আমাদের পারিবারিক অভিভাবক হিসেবে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। হয়তো বিসিবিকেও পাশে পাব।’
স্বামীর প্রসঙ্গ আসতেই কান্না ধরে রাখতে পারেননি চৈতি। রুবেলের সঙ্গে সাড়ে সাত বছরের সংসার জীবন নিয়ে বলেন, ‘রুবেল কেমন মানুষ ছিল, এটা তো আপনারা সবাই জানেন। ও একজন নিখাদ ভদ্রলোক। একজন মানুষের যত ভালো গুণ থাকতে হয়, রুবেলের সব ছিল। আমাদের সাড়ে ৭ বছরের সংসার, এত সুন্দরভাবে শুরু হলো, আবার শেষও হয়ে গেল। সবকিছু এখন শূন্য। এভাবেই হয়তো আমাদের বাঁচতে হবে।’