প্রায় জিতেই যাচ্ছিল ধুমকেতু। কিন্তু লিটন দাসের দলকে হতাশ করেন নুরুল হাসান সোহান। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে অনেকটা একা হাতেই ধুমকেতুকে হারিয়েছেন তিনি। সোহানের ব্যাটিং ঝড়ে অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে ২ উইকেটে জয় নিয়ে মাঠে ছেড়েছে দুর্বার। ম্যাচ শেষে সোহান জানালেন, সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টাতেই সফল তিনি। একই সঙ্গে নিজের প্রতি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসও ছিল তাঁর।
আগে ব্যাট করে স্কোরবোর্ডে ১৫৬ রান তোলে ধুমকেতু। জবাবে ৪৬ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে দুর্বার। কিন্তু পাঁচে নামা সোহানের ব্যাটে আশা বেঁচে ছিল দলটির। ৪৪ বলে চারটি চার ও ছয় ছক্কায় ৭৬ রানের ইনিংসে ভর করে ৩ বল হাতে রেখে রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নেয় দুর্বার। ১৯ তম ওভারে ২৬ রান নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন সোহান।
নিজের ইনিংসে নিয়ে সোহান বলেন, ‘মনে হচ্ছিল, যে পরিস্থিতি আছে তাতে আমারই সুযোগ নেওয়া উচিত। এরপর ওই সুযোগটাই নেওয়ার চেষ্টা করেছি। নিজেকে যদি সেভাবে সুযোগ দেই, অবশ্যই সেই আত্মবিশ্বাসটা থাকে। যেহেতু এই ইনিংসটা লম্বা করার সুযোগ পেয়েছি। যখন শেষ দিকে এমন সুযোগ এসেছে, উইকেটে টিকেছিলাম এবং আত্মবিশ্বাস ছিল।’
সামনের ম্যাচগুলোতেও ব্যাট হাতে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দলের জন্য দারুণ কিছু করতে চান সোহান, ‘আমার ধরনটা আসলে বুঝতে হবে, কোন ধরনের পরিস্থিতি থাকে। কোনো সময় ৩-৪-৫ বল থাকলে কী হয়, যখন সময় পাচ্ছি নিজেকে সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছি। তখন ইনিংসটা গুছানোর আরও সুযোগ থাকে। জাতীয় দলের যে স্কোয়াডটা আছে আমার মনে হয় অনেক ব্যালেন্সড, সেরা দল। ভালো বোলার আছে। ভালো একটা ম্যাচ হয়েছে। সামনে আরও ম্যাচ আছে চেষ্টা করব যেন সামনে আরও ভালো খেলতে পারি।’
শেষ দিকে ব্যাট করতে নেমে কী ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয় সেটাও জানালেন সোহান, ‘যদি সেই সুযোগটা নিজেকে দিতে পারি, নিজেকে সময় দিতে পারি, ইনিংস গোছানোর অনেক সময় থাকে। একই সাথে অল্প সময়ের জন্য ব্যাট করলে যে ব্যাটারই থাকুক, কাজটা একটু কঠিন হয়। এটা (ওপরে ব্যাট করা) আমার হাতে না, ঘরোয়া লিগে ওপরে ব্যাট করার সুযোগ পেলে আমি সেই সুযোগটা নেওয়ার চেষ্টা করি।’