হোম > রাজনীতি

সংস্কারের তৃতীয় শক্তির উত্থান ঠেকাতে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন: রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

নির্বাচন কমিশন সংস্কারের রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঠেকাতে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। আজ শনিবার রাজধানীর তোপখানা রোডে দলের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন রাজনৈতিক দলটির নেতারা।

দলের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূমের স্বতন্ত্র প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়ে জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে সংস্কারের পক্ষে যে আন্দোলন গড়ে উঠেছে, তার অন্যতম কান্ডারি হলেন হাসনাত কাইয়ূম। এটা এখন সর্বজন স্বীকৃত। সংবিধান সংস্কারের নির্বাচন ধারণার প্রবর্তক হলো রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। দ্বিদলীয় ব্যবস্থা থেকে উত্তরণে তৃতীয় শক্তির উত্থানে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন বিগত ১৫ মাস ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই তৃতীয় শক্তির উত্থান ঠেকাতে নির্বাচন কমিশন ও রাষ্ট্র কাঠামো পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার দলের সভাপতি হাসনাত কাইয়ূমের স্বতন্ত্র প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে দলের নেতারা অভিযোগ করে বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পরও নির্বাচন কমিশনের কোনো সংস্কার না হওয়া, হাইকোর্টের রায়ের পরও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনকে নিবন্ধন না দেওয়া এবং সর্বশেষ হাসনাত কাইয়ূমের স্বতন্ত্র প্রার্থিতা বাতিল—এসবই একই সূত্রে গাঁথা। এই নির্বাচন শুধুমাত্র জাতীয় নির্বাচন নয়, একসঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের নির্বাচনও। সংবিধান সংস্কার পরিষদের নির্বাচন বিশ্বে এক বিরল ঘটনা এবং এই নির্বাচনের তাত্ত্বিক ভিত্তি রচনা করেছে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন। কিন্তু বর্তমান নির্বাচন কমিশন “ফ্যাসিস্ট পতিত হাসিনা” সরকারের নির্বাচন কমিশনের মতো কাজ করছে। তারা ’১৪, ’১৮ এবং ’২৪ সালের মতো বিতর্কিত নির্বাচন করার দিকে এগোচ্ছে। এটা হলে সংস্কারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। এটা হতে পারে ইতিহাসের সবচেয়ে নিকৃষ্ট নির্বাচন। এভাবেই আবারও বাংলাদেশে ‘হাসিনাতন্ত্র’ ফিরে আসার পথ তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন।’

দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া বলেন, ‘হাইকোর্টের রায়ের পরও যে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনকে নিবন্ধন দেওয়া হলো না, তারই প্রতিবাদে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে হাসনাত কাইয়ূমের স্বতন্ত্র নির্বাচন করার নমিনেশন জমা দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশন থেকে ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর যাচাই করার সময় পুলিশ নিয়ে প্রান্তিক সমর্থকের বাসায় যাওয়া হয়। সমর্থক বাসায় না থাকলে তাঁর বৃদ্ধা মাকে ভয় দেখিয়ে সে সমর্থক স্বাক্ষর করেন নাই মর্মে স্বীকারোক্তি নেওয়া হয়। এভাবে বৃদ্ধা মায়ের ভয়ের মুখের স্বীকারোক্তি দিয়ে কোনো সমর্থকের সমর্থন মিথ্যা ঘোষণা করা, এটা হাসিনা সরকারের নির্বাচন কমিশনের আচরণ। এই নির্বাচন কমিশন ইতিহাসের নিকৃষ্ট নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে হাসিনা ও হাসিনাতন্ত্রকে ফেরত আনার জন্য কাজ করছে। কিন্তু তারা সফল হবে না।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন আপিলসহ সব আইনি ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তুলবে। এ নির্বাচন কমিশন যদি এই পথেই চলে, তাহলে হাসিনার নির্বাচন কমিশনের মতো তাদেরও একই পরিণতি বরণ করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুবুর রহমান সেলিম, সহসভাপতি এ জেড নিজামউদ্দিন ঠাকুর, স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক সাহাবুদ্দিন কবিরাজ লিটন, দপ্তর সম্পাদক ছামিউল আলম রাসু প্রমুখ।

তারেক রহমান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ বাদ দিলে বাংলাদেশের অস্তিত্ব থাকে না: বজলুর রশীদ ফিরোজ

প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে তাসনিম জারার আপিল

তারেক রহমানের সঙ্গে বাম জোটের শীর্ষ নেতাদের সাক্ষাৎ

প্রশাসন বিএনপির দিকে হেলে পড়েছে : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য যা দরকার, বিএনপি তা-ই করবে: নজরুল ইসলাম খান

জাতীয় পার্টিকে নির্বাচন করতে দেওয়া স্বৈরাচারকে পুনর্বাসন: আখতার

তারেক রহমানের সঙ্গে শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের বৈঠক

সন্দেহজনক আচরণ: তারেক রহমানের বাসার সামনে থেকে আটক ২

একটি মহলের ইন্ধনে উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনেকের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে: গোলাম পরওয়ার

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম বৈঠক আজ