ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক জোট বা দলে যোগ দেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
আজ সোমবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সামনে রেখে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। ওই চিঠিতে দলগুলো সংরক্ষিত আসনে জোটগতভাবে নাকি স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী দেবে—তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জানাতে বলা হয়।
ইসির চিঠির জবাবে রুমিন ফারহানা কমিশনকে জানিয়েছেন, তিনি এই নির্বাচনে কোনো জোটে যোগ দেবেন না। এর ফলে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে তিনি কেবল একজন ভোটার হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। কোনো নির্দিষ্ট জোট বা দলের পক্ষে প্রার্থী মনোনয়নে তিনি যুক্ত থাকবেন না।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, সংবিধান অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। আইন অনুযায়ী, সংসদে দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। যেসব দল বা জোটের সংসদে সদস্যসংখ্যা বেশি, তারা আনুপাতিক হারে বেশি সংরক্ষিত আসন পেয়ে থাকে। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন সেই আনুপাতিক হার নির্ধারণ এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ অনুযায়ী, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা চাইলে কোনো জোটে যোগ দিয়ে তাঁদের ভোট ওই জোটের অনুকূলে দিতে পারেন, যা জোটের আসনসংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। রুমিন ফারহানা সেই সুযোগ না নিয়ে স্বতন্ত্র অবস্থানে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।