স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে এক হাজার ৫১৬ টাকা বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুসে) জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি এবং স্থানীয় বাজারে চাহিদার বিপরীতে আমদানি কমের কারণে দাম বাড়ানো হয়েছে। রোববার থেকেই এই বর্ধিত দামে স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় হবে। তবে, আগের দামেই বিক্রি হবে রুপা।
রোববার সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, করোনার সময়ে বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট বন্ধ থাকা, আমদানি পর্যায়ে শুল্ক জটিলতা (উপকরণ কর রেয়াত) ও নানা দাপ্তরিক জটিলতার কারণে ডিলাররা স্বর্ণের বার আমদানি করতে পারছেন না। এ ছাড়া চাহিদার বিপরীতে যোগান কম থাকায় দেশীয় বুলিয়ন/পোদ্দার মার্কেটেও স্বর্ণের দাম বেড়েছে। ফলে পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের দাম বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে সবশেষ গত ২০ জুন ভরিতে স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ এক হাজার ৫১৬ টাকা কমানো হয়েছিল।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম হয়েছে ৭৩ হাজার ৪৮৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৭০ হাজার ৩৩৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে ৬১ হাজার ৫৮৬ টাকা।
এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে হয়েছে ৫১ হাজার ২৬৩ টাকা। সব মানের স্বর্ণের ক্ষেত্রে ভরিতে এক হাজার ৫১৬ টাকা করে বেড়েছে।
এত দিন ভরি প্রতি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছিল ৭১ হাজার ৯৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেট ৬৮ হাজার ৮১৮ টাকা। আর ১৮ ক্যারেট ৬০ হাজার ৭০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির মাপের স্বর্ণ ৪৯ হাজার ৭৪৭ টাকা।
এদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার আগে নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। আর ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা করা হয়েছে।