হোম > জীবনধারা > জেনে নিন

‘গো টু ফ্যাশন ওয়ার্ডরোব কী?’ সহজে তৈরি হতে ওয়ার্ডরোবে যে পোশাক ও অনুষঙ্গগুলো রাখা চাই

ফিচার ডেস্ক 

ছবি: সংগৃহীত

কোনো কোনো ব্যক্তিকে দেখবেন, কেনাকাটা করার সময় এমন পোশাক বা অনুষঙ্গের দিকেই চোখ যায়, সেগুলোর বহুমুখী ব্যবহার রয়েছে। এক্সক্লুসিভ কোনো ওড়না বা প্যান্ট না কিনে বরং এমনকিছুই তাঁরা বেছে নেন যা নিরপেক্ষ রঙের ও বিভিন্ন ধরনের টপস বা কামিজের সঙ্গে পরা যায়। আধুনিক ‘গো-টু ফ্যাশন ওয়ার্ডরোবে’র বা ক্যাপসুল কালেকশনের মূল কথাই হলো—এমন কিছু পোশাক সংগ্রহে রাখা যা কখনো ট্রেন্ড থেকে হারিয়ে যায় না এবং যেকোনো অনুষ্ঠানে সহজে মানিয়ে যায়।

ছবি: সংগৃহীত

গো টু ফ্যাশন ওয়ার্ডরোব কী?

‘গো-টু ফ্যাশন ওয়ার্ডরোব’ বলতে মূলত এমন কিছু পোশাকের সংগ্রহকে বোঝায়, যা অত্যন্ত বহুমুখী, আরামদায়ক এবং যেকোনো জরুরি মুহূর্তে চোখ বন্ধ করে পরে নেওয়া যায়। ফ্যাশনের ভাষায় একে অনেক সময় ‘ক্যাপসুল ওয়ার্ডরোব’ও বলা হয়ে থাকে। সহজ কথায়, এটি হলো আপনার আলমারির সেইসব পোশাকের কালেকশন, যা কখনো ট্রেন্ড বা ফ্যাশনের বাইরে চলে যায় না এবং খুব অল্প সময়ে আপনাকে একটি আকর্ষণীয় লুক দিতে পারে। অফিস মিটিং, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা বা হঠাৎ কোনো দাওয়াতে যাওয়ার জন্য এই সংগ্রহটি আপনাকে দ্রুত তৈরি হতে সাহায্য করতে পারে।

গো টু ফ্যাশন ওয়ার্ডরোবে যা যা থাকে

টাইমলেস ডিজাইন: এই পোশাকগুলো কোনো নির্দিষ্ট সাময়িক ট্রেন্ডের ওপর নির্ভর করে না। এগুলো বছর বছর ধরে ফ্যাশনে ইন থাকে।

সহজ সমন্বয়: এই ওয়ার্ডরোবের প্রতিটি পোশাকের রঙ ও কাটিং এমন হয়, যাতে একটির সঙ্গে অন্যটি খুব সহজে মিলিয়ে পরা যায়। যেমন: একটি কালো প্যান্ট দিয়ে আপনি শার্ট, টি-শার্ট বা কুর্তি সবই পরতে পারবেন।

ক্লাসিক টপস ও শার্ট

যেকোনো ফরমাল বা ক্যাজুয়াল মিটিংয়ের জন্য ওয়ার্ডরোবে একটি মার্জিত সাদা শার্ট অপরিহার্য। এ ছাড়া কালো, নেভি ব্লু বা ধুসররঙা টি-শার্ট রাখা যেতে পারে। এগুলোর পাশাপাশি ইন্দো-ওয়েস্টার্ন বা ক্যাজুয়াল লুকের জন্য আরামদায়ক সুতি কুর্তি থাকলেও যেকোনো সময় ব্যবহার করা যায়।

বটমওয়্যার

ওয়ার্ডরোবে একটি গাঢ় নীল এবং একটি কালো স্ট্রেট-ফিট বা মম-ফিট জিন্স রাখা যেতে পারে। ফরমাল অফিস লুক বা করপোরেট ইভেন্টের জন্য কালো, বেইজ বা কফি রঙের সিন্থেটিক প্যান্ট রাখলে কাজে আসবে। আবার যেকোনো কুর্তি বা লং টপসের সঙ্গে সহজে পরার জন্য কালো ও স্কিন কালার লেগিংস রাখলে বিভিন্ন সময়ে চট করে তৈরি হয়ে নেওয়া সহজ হবে।

এথনিক ও ট্র্যাডিশনাল কালেকশন

আলমারিতে একটি সুন্দর জামদানি, সিল্ক বা লিনেন শাড়ি, যা উৎসব-পার্বণে আপনার রূপ বাড়িয়ে দেবে। মনকাড়া রঙের ২-৩ জোড়া ক্যাজুয়াল ও সেমি-ফরমাল থ্রি-পিস বা সালোয়ার কামিজ রাখতে পারেন।

ছবি: সংগৃহীত

লেয়ারিংয়ের জন্য

হালকা শীতে বা যেকোনো সাধারণ টি-শার্টের ওপর স্টাইলিশ লুক দিতে ডেনিম জ্যাকেটের জুড়ি নেই। এর সঙ্গে একটি কালো বা নিউট্রাল রঙের ব্লেজার ও কয়েকটি শ্রাগ রাখলে বিভিন্ন সময়ে বিবিন্ন ধরনের লুক তৈরি করে নেওয়া সহজ হবে।

অনুষঙ্গ

জুতোর আলমারিতে এক জোড়া আরামদায়ক স্নিকার্স, ফরমাল লোফার বা ফ্ল্যাট স্যান্ডেল এবং একটি ক্লাসিক হিল রাখা চাই। অন্যান্য অনুষঙ্গের মধ্য়ে একটি বড় টোট ব্যাগ, একটি স্টাইলিশ স্লিং ব্যাগ এবং একটি মেটালিক বা চামড়ার বেল্টের হাতঘড়ি রাখতে পারেন।

ছবি: সংগৃহীত

গো টু লুক তৈরিতে

অফিসের জন্য তৈরি হতে

অফিস পোশাকের মূল চাবিকাঠি হলো মার্জিত ও পেশাদার ভাব বজায় রাখা। সারাদিন পরে থাকার জন্য কাপড়টি আরামদায়ক হওয়াও জরুরি। প্যাস্টেল ব্লু, সাদা বা লেমনরঙা সুতি বা লিনেন শার্টের সঙ্গে গাঢ় রঙের ট্রাউজার পরা যেতে পারে। এছাড়াও সুতি বা সিল্কের সাধারণ কুর্তি এবং লেগিংস অথবা ফরমাল সালোয়ার কামিজের সঙ্গে কালো বা ট্যান রঙের চামড়ার লোফার অথবা ফ্ল্যাট সু পরা যতে পারে। একটি ক্লাসিক মেটালিক বা চামড়ার স্ট্র্যাপের হাতঘড়ি এবং ল্যাপটপ সহজে বহন করার জন্য একটি নিউট্রাল রঙের টোট ব্যাগ বা ব্যাকপ্যাক পুরো সাজটা সম্পন্ন করে তুলবে।

ক্যাজুয়াল লুকের জন্য

ঋতুভেদে শরীরকে আরাম দেবে এমন পোশাকই পরা জরুরি। সঙ্গে চামড়ার স্ট্র্যাপ দেওয়া ওপেন-টো স্যান্ডেল, স্লাইডার বা আরামদায়ক স্নিকার্স পরা যেতে পারে।

সূত্র: ইনসাইড আউট স্টাইল ও অন্যান্য

বাঘের সংখ্যা ও অস্তিত্ব: রাজকীয় এই প্রাণীর ভবিষ্যৎ কোন পথে

শরীর ক্লান্ত মন অস্থির? জেনে নিন কেন শরীর ও মন একসঙ্গে ঘুমায় না

মন খারাপের দিনগুলোয় ত্বকের যত্ন যেভাবে নেবেন

টুথপেস্ট ছাড়াও যেসব উপকরণে রয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, জেনে নিন এগুলো শরীরের কী ক্ষতি করে

জেনে নিন, মেঘ-বৃষ্টির দিনে আরাম ও সুবিধায় কোন কাপড় সেরা

স্ট্রাইপড টপস স্টাইলিং করার ৭ উপায়

ভবিষ্যতের এআই কি বিরুদ্ধমত শুনতে শেখাবে

ইলেকট্রিক চুলা ব্যবহারে থাকা চাই বাড়তি সতর্কতা

ঘরের গাছের জন্য ‘ওয়াক’ জরুরি!

বর্ষাকালে মসলা টাটকা রাখবেন যেভাবে