হোম > ইসলাম

হজের ওয়াজিব কয়টি ও কী কী?

ইসলাম ডেস্ক 

ছবি: সংগৃহীত

সামর্থ্যবান মুমিনের জন্য বাইতুল্লাহর সফর তথা হজ পালন করা ইসলামের এক অপরিহার্য বিধান। এটি শারীরিক ও আর্থিক ইবাদতের এক অপূর্ব সমন্বয়। কোনো ব্যক্তি যদি প্রয়োজনীয় খরচ বাদে কাবা ঘরে যাওয়া-আসার সামর্থ্য রাখেন, তবে তার ওপর এই ফরজ অর্পিত হয়।

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেছেন, ‘মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ওই ঘরের হজ করা তার জন্য অবশ্য কর্তব্য।’ (সুরা আলে ইমরান: ৯৭)।

হজের ফরজ তিনটি

হজের প্রধান প্রধান কাজগুলোর মধ্যে এই তিনটি কাজ ফরজ। এর যেকোনো একটি বাদ পড়লে হজ আদায় হবে না—

  • ১. ইহরাম বাঁধা: হজের নিয়তে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চাদর পরিধান করা।
  • ২. আরাফার ময়দানে অবস্থান: ৯ জিলহজ জোহরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফার ময়দানে অবস্থান করা।
  • ৩. তাওয়াফে জিয়ারত: আরাফার ময়দান থেকে ফেরার পর ১০ থেকে ১২ জিলহজের মধ্যে কাবা শরিফ সাতবার প্রদক্ষিণ করা।

হজের ওয়াজিব ৬ টি

পবিত্র হজ পালনের ক্ষেত্রে ফরজ পালনের পাশাপাশি ওয়াজিবগুলোর প্রতি যত্নশীল হওয়া অত্যন্ত জরুরি। নিচে হজের প্রধান ছয়টি ওয়াজিব বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

  • ১. মুজদালিফায় অবস্থান: ১০ জিলহজ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মুজদালিফায় অবস্থান করা।
  • ২. সাফা-মারওয়ায় সাঈ: সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মধ্যে সাতবার চক্কর দেওয়া।
  • ৩. কঙ্কর নিক্ষেপ (রমি): মিনায় শয়তানকে পাথর মারা।
  • ৪. কোরবানি করা: তামাত্তু ও কিরান হজকারীদের জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব।
  • ৫. মাথার চুল কাটা: মাথা মুণ্ডানো বা চুল ছোট করা (হলক বা কসর)।
  • ৬. বিদায়ী তাওয়াফ: মক্কার বাইরের হাজিদের জন্য মক্কা ত্যাগের আগে সর্বশেষ তাওয়াফ করা।

আল্লাহর প্রেমে সিক্ত হয়ে বাইতুল্লাহর জিয়ারতে যাওয়া এবং নিজেকে আল্লাহর কাছে সঁপে দেওয়ার নামই হলো হজ। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হজ করার তাওফিক দিক।

আকিকা কীভাবে দিতে হয়? ফজিলত কী?

তালাক দেওয়ার সর্বোত্তম পদ্ধতি ও ইসলামের বিধান

নামাজে সানা পড়ার সঠিক নিয়ম কী?

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৫ মে ২০২৬

হজের ফরজ কয়টি, আদায় করতে হয় কীভাবে?

সন্তানের আকিকা না দিলে কি গুনাহ হয়

যেসব পুরুষকে বিয়ে করতে নিষেধ করেছে ইসলাম

হিদায়াত কী, কখন তা অর্জন হয়?

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৪ মে ২০২৬

দুই সিজদার মাঝে দোয়া পড়ার বিধান