হোম > ইসলাম

যে দোয়া পাঠ করলে জান্নাত আবশ্যক হয়ে যায়

ইসলাম ডেস্ক

প্রতিটি মুমিনের পরম আকাঙ্ক্ষা জান্নাত। প্রতীকী ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

প্রতিটি মুমিনের পরম আকাঙ্ক্ষা জান্নাত। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, ইবাদত-বন্দেগি ও তওবা-ইস্তিগফারের মূল উদ্দেশ্যই হলো শেষ বিচারে রবের কাছে জান্নাতের মেহমান হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করা। যদি রাসুলুল্লাহ (সা)-এর পবিত্র হাদিস থেকে এমন একটি সংক্ষিপ্ত ও সহজ দোয়া পাওয়া যায়, যা পাঠ করলে জান্নাত ওয়াজিব বা সুনিশ্চিত হয়ে যায়—তবে এর চেয়ে বড় আর কী হতে পারে?

প্রিয় নবী (সা.) ঠিক তেমনই একটি অনবদ্য দোয়া আমাদের শিখিয়ে গেছেন।

সুনানে আবু দাউদের ১৫২৯ নম্বর হাদিসে বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন,

যে ব্যক্তি বলে—‘“আমি আল্লাহকে রব হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহাম্মদ (সা.)-কে রাসুল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট”, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।’

মাত্র তিনটি সরল অঙ্গীকার—কিন্তু এর বিনিময়ে মহান আল্লাহর প্রতিশ্রুতি অতীব মহান ও অভূতপূর্ব!

জান্নাত লাভের এই দোয়াটি হলো:

আরবি:

رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالإِسْلَامِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا

উচ্চারণ: ‘রাদিতু বিল্লাহি রাব্বান, ওয়া বিল-ইসলামি দ্বীনান, ওয়া বি-মুহাম্মাদিন রাসুলান।’

অর্থ: ‘আমি আল্লাহকে আমার রব, ইসলামকে আমার দ্বীন এবং মুহাম্মদ (সা.)-কে আমার রাসুল হিসেবে পেয়ে তুষ্ট ও সন্তুষ্ট।’

দোয়াটি কতবার পড়বেন?

হাদিসে এই দোয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা বেঁধে দেওয়া হয়নি।

তাই প্রতিদিন নিয়মিত ও বেশি বেশি এই জিকিরটি পাঠ করুন—প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর, সকাল-সন্ধ্যায় কিংবা যখনই অন্তরে রবের স্মরণের অনুভূতি জেগে ওঠে। বিশেষ করে দোয়া কবুলের সময়গুলোতে—যেমন রাতের শেষ তৃতীয়াংশে, আজান ও একামতের মধ্যবর্তী সময়ে কিংবা ফরজ নামাজের পরপর এটি পাঠের অভ্যাস করুন।