সাক্ষাৎকার

ছোটখাটো শিল্পনগরী গড়ে তুলতে চাই মাদারীপুরে: আনিসুর রহমান তালুকদার

মাদারীপুর-৩ (সদরের একাংশ, কালকিনি ও ডাসার) আসনে বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় কমিটির সহগণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন। আওয়ামী লীগের আমলে দুবার গুম হয়েছিলেন তিনি। কয়েকবার কারাবরণও করেছিলেন। সম্প্রতি তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি আয়শা সিদ্দিকা আকাশী

আজকের পত্রিকা: ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবে?

আনিসুর রহমান তালুকদার: ভোটাররা আমাকে কেন পছন্দ করেন, তাঁরা কীভাবে আমাকে নেবেন—এটা তো ভোটাররাই ভালো জানে। আমি মনে করি, ২০১৮ সালে আমি একটি নির্বাচন করেছিলাম, মাঠঘাটেও ছিলাম; কিন্তু মানুষ তখন আমাকে ভোট দিতে পারেনি, ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও। এবার যদি সুষ্ঠু-সুন্দর নির্বাচন হয়, মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়, তাহলে ভোটাররা আমাকে ভোট দেবেন।

আজকের পত্রিকা: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ওপর আপনার শ্রদ্ধা কতটা?

আনিসুর রহমান তালুকদার: প্রতিপক্ষ যাঁরা আছেন, সবাই ভালো। তাঁরাও মাঠঘাটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। এখন ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন, কাকে ভোট দেবেন। প্রার্থীদের সঙ্গে আমার কোনো বৈরিতা নেই। তাঁরা তাঁদের নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। আমরা আমাদেরটা করছি। সবার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ভালো।

আজকের পত্রিকা: ভোটে হেরে গেলে মেনে নেবেন?

আনিসুর রহমান তালুকদার: নির্বাচন তো, হারজিত থাকবেই। নির্বাচনে হারজিত মাথায় নিয়েই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হয়। অবশ্যই আমরা হারজিত মেনে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেব।

আজকের পত্রিকা: জয়ী হলে এলাকার জন্য কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার দেবেন?

আনিসুর রহমান তালুকদার: মাদারীপুরের যেসব যুবক বিদেশে যাওয়ার জন্য সব সময় উদগ্রীব থাকে। এই পথ থেকে আমি তাদের ফিরিয়ে আনতে চাই। মাদারীপুর জেলাটি ঢাকার খুব কাছে। তাই ছোটখাটো শিল্পনগরী গড়ে তুলে সরকারের সহযোগিতায় উদ্যোক্তা তৈরি করতে চাই। বাংলাদেশ ও দেশের বাইরে শ্রম রপ্তানি করে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি বড় ধরনের ভূমিকা রাখার ইচ্ছা আছে। এতে তরুণেরা স্বাবলম্বী হবে, বেকারত্বও দূর হবে। এটিই হবে আমার বেকারত্ব দূর করার কাজ।

আজকের পত্রিকা: পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা এলাকায় নিরাপদে থাকতে পারবেন?

আনিসুর রহমান তালুকদার: আমি মনে করি, আমাদের কর্মী আর যে দলের কর্মী হোক—সব রাজনৈতিক কর্মী আমার কাছে সমান; সবাই আমার আপন। আশা করি, আমার দলের কর্মী আমার কাছে যেভাবে তাদের অধিকার নিয়ে আসতে পারবে, অন্য দলের কর্মীরাও আমার কাছে অধিকার নিয়ে আসতে পারবে। এ মানসিকতা নিয়েই আমি সব সময় রাজনীতি করি।

আজকের পত্রিকা: সংসদ সদস্য হলে সম্মানী ও বরাদ্দের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন?

আনিসুর রহমান তালুকদার: আমি হলফনামায় আমার সব সম্পত্তের হিসাব ঠিকমতো দিয়েছি। ভবিষ্যতে আমার সরকারের পক্ষ থেকে যে সম্মানী আসবে, তা জনসমক্ষে এক মাসে না হলেও তিন মাস পরপর প্রকাশ করব।

গবেষণা ফান্ড পাওয়ার বেশ কিছু উৎস আছে

ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, প্রতিহিংসা চাই না: ইয়াসের খান চৌধুরী

জিতলে ভোট ভালো, হারলে ভোট খারাপ, এটা না: মো. আসাদুজ্জামান

ভালো গবেষণা যেন দুর্বল ইংরেজিতে নষ্ট না হয়

ইতিবাচক রাজনীতি করতে চাই: রাশেদ খান

বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে, ভারতকে বদলাতে হবে: নাহিদ ইসলাম

স্বাস্থ্য উন্নয়নে প্রয়োজন সাহসী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত: বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি

ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট পিআর ক্যারিয়ারের অন্যতম দক্ষতা

ত্যাগ ও সংগ্রাম মূল্যায়ন করে মানুষ ভোট দেবে: সাইফুল আলম নীরব

গণসংযোগকেই আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি