ইরান থেকে মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এবং ট্রাম্পের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র ব্যারন ট্রাম্পকে সরাসরি হত্যার হুমকি দিয়ে একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। ভিডিওটিতে মেলানিয়া ট্রাম্পের নিউইয়র্ক শহরের গতিবিধি এবং বিভিন্ন শপিং লোকেশনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
‘হোয়ার টু কিল মেলানিয়া’ বা ‘মেলানিয়াকে কোথায় হত্যা করা যায়’ শিরোনামের এই ভিডিওটিতে বলা হয়েছে—তাঁর কেনাকাটার স্থানগুলো বিশ্বের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপারেশনের জন্য উপযুক্ত হতে পারে। এমনকি তিনি যে পোশাকগুলো কিনতে পারেন, সেগুলোতে স্নায়ু বিষ (নার্ভ এজেন্ট) প্রয়োগের মতো ভয়াবহ প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে ওই ভিডিওতে। শেষ অংশে ১৮ বছর বয়সী ব্যারন ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে সরাসরি হুমকি দিয়ে বলা হয়, ‘এটি কেবল শুরু। ব্যারন ট্রাম্প, আমাদের জন্য অপেক্ষা করো।’
তবে নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মেলানিয়া ও ব্যারন উভয়ই মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের সর্বক্ষণ নিবিড় নিরাপত্তা বেষ্টনীতে রয়েছেন। হোয়াইট হাউস, নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ার এবং মার-এ-লাগোসহ ট্রাম্প পরিবারের সমস্ত সম্পত্তি সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় সুরক্ষিত।
ডিজিটাল এই হুমকির পাশাপাশি ইরানের ভেতরেও মার্কিনবিরোধী প্রচারণা তুঙ্গে উঠেছে। তেহরানের জুমহুরি স্ট্রিটে ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি বিশালাকার বিলবোর্ড বসানো হয়েছে, যেখানে তাঁকে একাধিক হাত দিয়ে শ্বাসরোধ করার দৃশ্য দেখানো হয়েছে এবং পাশে লেখা রয়েছে, ‘প্রতিশোধ অনিবার্য’। অন্য কিছু বিলবোর্ডে ট্রাম্পের পাশাপাশি তাঁর পুরো পরিবারের মৃত্যুর আহ্বান জানিয়ে লেখা হয়েছে, ‘রক্তের বদলে রক্ত’।
সম্প্রতি যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, তিনিও এখন ইরানের প্রধান লক্ষ্যবস্তু। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে তাদের হিটলিস্টে আছি।’ তিনি আরও জানান, ইরান যদি কখনো তাঁকে হত্যা করতে সক্ষম হয়, তবে এর জবাবে দেশটিতে নজিরবিহীন বিমান হামলা চালানোর স্পষ্ট নির্দেশ তিনি ইতিমধ্যেই দিয়ে রেখেছেন।