হোম > বিশ্ব > ভারত

মোদিকে ভালো লাগে শিল্পী মৈথিলী ঠাকুরের, বিহারে চান বিজেপির টিকিট

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ভারতের লোকসংগীতশিল্পী মৈথিলী ঠাকুর বলেছেন, তিনি রাজনীতির জন্য রাজনীতিতে নামতে চান না, বরং নিজ অঞ্চলকে সেবা করতে চান। আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বিজেপির প্রার্থী হওয়ার গুঞ্জনের মাঝে এনডিটিভিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।

গত রোববার দিল্লিতে মৈথিলী ঠাকুর ও তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করেন বিহার বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা বিনোদ তাওড়ে এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছবি শেয়ার করে তাওড়ে মৈথিলী ঠাকুরকে ‘বিহারের মেয়ে’ বলে উল্লেখ করেন এবং তাঁকে রাজ্যে ফের স্বাগত জানান।

বিহারের বিরোধী দল রাষ্ট্রীয় জনতা দলকে (আরজেডি) কটাক্ষ করে তাওড়ে লেখেন, ‘১৯৯৫ সালে লালু (প্রসাদ যাদব) ক্ষমতায় আসার পর যে পরিবারগুলো বিহার ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল, সেই পরিবারের কন্যা, খ্যাতিমান গায়িকা মৈথিলী ঠাকুর পরিবর্তিত বিহারের গতি দেখে আবার বিহারে ফিরতে চাইছেন।’

নিত্যানন্দ রায় ও বিনোদ তাওড়ে ঠাকুরকে বিহারের মানুষের জন্য কাজ করার এবং তাঁদের প্রত্যাশা পূরণের আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকারে মৈথিলী ঠাকুর বলেন, এখনো কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে বিনোদ তাওড়ে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘যেভাবে উনি পোস্ট করেছেন, এটা আমার জন্য অনেক বড় ব্যাপার। ভালো লাগছে যে বিহারের মানুষ আমাকে এভাবে চিনতে পারছেন। সুযোগ পেলে আমি অবশ্যই গ্রহণ করব।’ ২৫ বছর বয়সেই তিনি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিত দেন।

রাজনীতিতে আসার লক্ষ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মৈথিলী ঠাকুর বলেন, তিনি নিজের রাজ্যের সেবা করতে চান। তাঁর বক্তব্য, ‘আমি বিহারের সেবা করতে চাই। লোকগানের মাধ্যমেই এত দিন সেটা করে আসছি। তাই বিদেশে যেতে চাইনি। আমি আমার অঞ্চলের সংস্কৃতি এগিয়ে নিতে চাই। রাজনীতি যদি এই সুযোগ দেয়, তবে এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হবে না। আমি রাজনীতি করতে রাজনীতিতে ঢুকতে চাই না। আমি আমার অঞ্চলকে সেবা করতে চাই।’

ধ্রুপদি সংগীতশিল্পী মৈথিলী ঠাকুর মূলত মিথিলা অঞ্চলের মানুষ। তাঁর বাড়ি মধুবনী ও দারভাঙ্গা। বিজেপি তাঁকে মধুবনী কিংবা দারভাঙ্গার আলীগড় আসন থেকে লড়ার প্রস্তাব দিতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। কোন আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান—প্রশ্নের জবাবে মৈথিলী বলেন, ‘আমার মা মধুবনীর আর বাবা দারভাঙ্গার। দুই জায়গা থেকেই আমি সব সময় ভালোবাসা পেয়েছি। তাই সিদ্ধান্তটা আমি দলের হাতে ছেড়ে দিয়েছি। যা নির্দেশ দেবে, আমি তা-ই মানব।’

কয়েক বছর আগেও রাজনীতিতে তাঁর আগ্রহ ছিল না। কিন্তু প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য শোনার পর তিনি রাজনীতির দিকে আকৃষ্ট হন। তাঁর ভাষায়, ‘মোদিজি যুব সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা। তাঁর নেতৃত্বে কাজ করতে পারাটা আমার সৌভাগ্য।’

ঠাকুর মনে করেন, মানুষের সেবা করতে হলে ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব প্রয়োজন, আর রাজনীতি সেটা দেয়। লড়াইয়ের জন্য তিনি প্রস্তুত জানিয়ে বলেন, ‘আমি বিহারের মানুষের আশীর্বাদ চাই। তাঁদের ভালোবাসা পেয়েছি। কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়ালে সমর্থনও চাইব। নিজেকে প্রমাণের জন্য একটা সুযোগ চাই।’

বিহার নির্বাচনের তফসিল সোমবার ঘোষণা করা হয়েছে। ভোট হবে দুই দফায়—৬ নভেম্বর ও ১১ নভেম্বর। আর ভোট গণনা হবে ১৪ নভেম্বর।

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত দুই ভাইয়ের হতে পারে ৪০০ বছরের কারাদণ্ড

জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার চেষ্টা

হরমুজ প্রণালিতে ভারতগামী থাই জাহাজে হামলা

গ্যাস-সংকটে দিল্লি হাইকোর্ট, আইনজীবীদের পাতে নেই বিরিয়ানি-শাহি পনির

ভারতে প্রথম স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিলেন সুপ্রিম কোর্ট

পশ্চিমবঙ্গে রান্নার পর এবার খরচ বাড়ল যাতায়াতেও, বাড়তি ভাড়ায় যাত্রী হয়রানি

ভারতে গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে রেস্তোরাঁ

নাবালক অবস্থায় আটক, ২১ বছর পর বাংলাদেশিকে মুক্তির আদেশ কলকাতা হাইকোর্টের

খামেনির হত্যাকাণ্ডে কেন ভারতে শোক আর বিক্ষোভ

ধর্ষণ থেকে বাঁচতে রাতভর গহিন বনে লুকিয়ে থাকলেন তরুণী