হোম > বিনোদন > হলিউড

কী আছে ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমায়

বিনোদন ডেস্ক

‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমার দৃশ্য

সায়েন্স ফিকশন সিনেমা নিয়ে এতটা উচ্ছ্বাস অনেক দিন দেখা যায়নি। গত ২০ মার্চ ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ মুক্তির পর থেকে বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছে সিনেমাটি। মহাকাশের এই গল্প প্রথম সপ্তাহে ৮০ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলার আয় করে এ বছরের সেরা ওপেনিংয়ের রেকর্ড গড়েছে। বিশ্বজুড়ে সিনেমাটির আয় ৩০০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। যুক্তরাজ্য, চীন, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারেও অভাবনীয় সাড়া ফেলেছে প্রজেক্ট হেইল মেরি।

বাংলাদেশেও বর্তমানে প্রজেক্ট হেইল মেরি নিয়ে ব্যাপক চর্চা চলছে। তার অন্যতম কারণ, মেয়েকে নিয়ে সিনেমাটি দেখতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি মুক্তি পায় ২ এপ্রিল। পরদিন স্টার সিনেপ্লেক্সের ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার শাখায় সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের শোতে সিনেমাটি উপভোগ করেন তারেক রহমান ও জাইমা রহমান। শো শেষে প্রধানমন্ত্রী রেকমেন্ড করেন, ‘সিনেমাটি ভালো হয়েছে, দেখতে পারেন।’ এর পর থেকেই সবার মধ্যে কৌতূহল—কী আছে এ সিনেমায়, যা প্রধানমন্ত্রীকেও হল পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেল! সেই কৌতূহল থেকে অনেকেই এখন প্রজেক্ট হেইল মেরি দেখতে আগ্রহী হচ্ছেন, মাল্টিপ্লেক্সে বাড়ছে দর্শকের উপস্থিতি।

প্রজেক্ট হেইল মেরি সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে রাইল্যান্ড গ্রেস নামের এক স্কুলশিক্ষককে কেন্দ্র করে। এ চরিত্রে অভিনয় করছেন রায়ান গসলিং। রাইল্যান্ড একজন বিজ্ঞানী। হঠাৎ একদিন মহাকাশযানে জেগে উঠে দেখে, সে একা। আর তার সব স্মৃতি নষ্ট হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে সে বুঝতে পারে, পৃথিবী এক চরম মহাজাগতিক সংকটের মুখে। রাইল্যান্ডসহ আরও দুজনকে বিশেষ মিশনে মহাকাশে পাঠানো হয়েছে মানবজাতিকে রক্ষা করার জন্য। সেই মিশনের নাম প্রজেক্ট হেইল মেরি। মিশনের অন্য সদস্যরা মারা যায়, বেঁচে থাকে একমাত্র রাইল্যান্ড। স্মৃতি হাতড়ে এবং বিজ্ঞানের ওপর ভর করে তাকে একাই এই কঠিন মিশনটি সফল করতে হবে।

সায়েন্স ফিকশন ঘরানার জনপ্রিয় লেখক অ্যান্ডি উইয়ারের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছে প্রজেক্ট হেইল মেরি। তাঁর লেখা অবলম্বনে তৈরি ‘দ্য মার্শিয়ান’ ২০১১ সালে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল। এবারও প্রজেক্ট হেইল মেরি জয় করেছে সায়েন্স ফিকশনপ্রেমীদের মন। অনেকে তো এটিকে দশকের সেরা সায়েন্স ফিকশন বলে অভিহিত করছেন।

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ফিল লর্ড ও ক্রিস্টোফার মিলার, যাঁরা এর আগে ‘২১ জাম্প স্ট্রিট’, ‘দ্য লেগো মুভি’র মতো জনপ্রিয় কাজ করেছেন। তাঁদের হাত ধরে প্রজেক্ট হেইল মেরি হয়ে উঠেছে ভিজ্যুয়ালি আকর্ষণীয় ও আবেগঘন এক মহাকাশ অভিযান। আইম্যাক্স প্রযুক্তিতে ধারণ করা মহাকাশের দৃশ্যগুলো বড় পর্দায় শ্বাসরুদ্ধকর অভিজ্ঞতা দিচ্ছে।

প্রজেক্ট হেইল মেরির বিশেষ আকর্ষণীয় দিক হলো, রাইল্যান্ড গ্রেসের সঙ্গে এক ভিনগ্রহী বা এলিয়েনের বন্ধুত্ব। বলতে গেলে, এলিয়েন রকির সঙ্গে রাইল্যান্ডের বন্ধুত্ব এ সিনেমার প্রাণ। কেবল জটিল বিজ্ঞান নয়, বরং মানবতা ও বন্ধুত্বের এক অনন্য মেলবন্ধন এ সিনেমাকে অন্য স্তরে নিয়ে গেছে। সমালোচকেরা রাইল্যান্ড চরিত্রে রায়ান গসলিংয়ের অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে মহাকাশযানে একা জেগে ওঠা একজন বিজ্ঞানীর অসহায়ত্ব এবং পরবর্তী সময়ে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার দৃশ্যগুলো দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।

প্রকাশ পেল ‘মোয়ানা’র ট্রেলার, চমকে দিলেন ডোয়াইন জনসন

চলে গেলেন হলিউড অভিনেত্রী ভ্যালেরি পেরিন

৯৮তম অস্কার উঠল যাঁদের ঝুলিতে

কী আছে অস্কারজয়ী ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’ সিনেমায়

অস্কারে কিছু না পেয়েও কোটিপতি: ৪ কোটি টাকার উপহার ও রাজকীয় ডিনারের আদ্যোপান্ত

অস্কার মঞ্চে ফিলিস্তিন থেকে এআই: গ্ল্যামারের রাতে প্রতিবাদের গর্জন

অস্কার ২০২৬: সেরা চলচ্চিত্রসহ ৬টি বিভাগে জয়ী ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’

বন জোভি ব্যান্ড নিয়ে তৈরি হচ্ছে সিনেমা

বড় পর্দায় গেম অব থ্রোনসের কাহিনি

টম-জেনডায়ার বিয়ের খবর