হোম > অর্থনীতি

ইলেকট্রিক গাড়িতে বড় করছাড়, সস্তা হবে হাইব্রিড গাড়িও

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

প্রতীকী ছবি

পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে ইলেকট্রিক ও প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে বাজেটে বড় ধরনের করছাড়ের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। একই সঙ্গে ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক ও চার্জিং স্টেশন স্থাপনের যন্ত্রপাতি আমদানিতেও কর-সুবিধা বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।

বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরিবহনে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক বাস আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতি বহাল থাকবে। এ ছাড়া অন্যান্য ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাকের ক্ষেত্রেও ভ্যাট ছাড়া সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতির সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সুবিধার মেয়াদ ৩০ জুন ২০৩০ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

সরকার ইলেকট্রিক ব্যক্তিগত গাড়ি আমদানিতেও করভার কমানোর প্রস্তাব করেছে। বর্তমানে এ ধরনের গাড়ির ওপর করভার প্রায় ৯৩ শতাংশ। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে করভার কমে ৬৪ শতাংশ এবং ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত মূল্যের গাড়ির ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ হবে।

প্লাগ-ইন হাইব্রিড ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (পিএইচইভি) আমদানিতেও কর-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। দুই হাজার সিসি পর্যন্ত ইঞ্জিনক্ষমতার নতুন হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি ১ হাজার ৮০০ সিসি পর্যন্ত নতুন পিএইচইভি আমদানিতে রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব রয়েছে।

এর ফলে ১ হাজার ৮০০ সিসি পর্যন্ত নতুন প্লাগ-ইন হাইব্রিড গাড়ির করভার ৯৩ দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে কমে ৭৩ দশমিক ৪৩৭ শতাংশে নামবে। আর দুই হাজার সিসি পর্যন্ত নতুন হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে করভার ১৩২ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে কমে ৯৬ দশমিক ১০ শতাংশ হবে।

ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার বাড়াতে চার্জিং অবকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইলেকট্রিক গাড়ির চার্জার ও চার্জিং স্টেশন আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি পর্যায়ের মোট করভার ৩৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জীবাশ্ম জ্বালানিচালিত গাড়ির ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে কর বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ সিসি ক্ষমতার পেট্রল, অকটেন বা ডিজেলচালিত আমদানি করা গাড়ির ওপর বিদ্যমান মোট করভার ১৩২ দশমিক ৩৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে অন্যান্য শ্রেণির গাড়ি আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান করহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সরকারের মতে, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে পরিবেশবান্ধব যানবাহনের ব্যবহার বাড়বে, জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং দেশে ইলেকট্রিক যানবাহনভিত্তিক পরিবহনব্যবস্থা গড়ে ওঠার পথ আরও সহজ হবে।

উত্তরা ব্যাংক ও নগদের মধ্যে ডিজিটাল আর্থিক সেবায় চুক্তি স্বাক্ষর

মেট্রোরেল ভবনে সোনালী ব্যাংকের উপশাখার উদ্বোধন

জুলাই শহীদ ও আহতদের আবাসনের জন্য বরাদ্দ ৩০০ কোটি, ভাতাভোগী বাড়ছে ১,৮৫৭ জন

বরাদ্দ বাড়ছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়, প্রস্তাব ১০ হাজার ৩৫০ কোটি

পিসিএএফের সিগনেটরি হিসেবে বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়ন উদ্যোগে যুক্ত হলো প্রাইম ব্যাংক

একাধিক গাড়ি থাকলেই দিতে হবে পরিবেশ সারচার্জ

বাজেটে বেসরকারি খাতে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে: সিপিডির খন্দকার গোলাম

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জন্য ৪,৪০১ কোটি টাকার প্রস্তাব

মার্কেট-শপিং মল খোলা রাখার নতুন সময়, আজ থেকেই কার্যকর

আয়কর রিটার্ন দেওয়া যাবে সারা বছর