টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনের মহিলা ও শিশু ওয়ার্ডে দুই দফায় ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছে। গতকাল বুধবার রাত ১১টার দিকে মহিলা ওয়ার্ডে এবং আজ বৃহস্পতিবার সকালে শিশু ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। এতে এক নারীর পায়ে ও এক শিশু রোগীর হাতে সামান্য আঘাত লাগে। ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ফরিদা আক্তার বলেন, ‘আমার পাশের সিটে একটি শিশু নিয়ে এক মহিলা শুয়ে ছিলেন। হঠাৎ ওপর থেকে ছাদের ঢালাই (পলেস্তারা) খসে নিচে পড়ে ছড়িয়ে যায়। ঢালাইয়ের খণ্ডগুলো কারও পায়ে লেগেছে, কারও হাতে লেগেছে। আমার পায়ে লেগেও সামান্য ব্যথা পেয়েছি।’ তিনি দ্রুত হাসপাতালটি সংস্কারের দাবি জানান।
আহত শিশুটির মা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমার বাবুর (ছেলে) হাতে ক্যানোলা লাগানো ছিল। হঠাৎ করে ওপর থেকে সিমেন্টের খণ্ড নিচে পড়ে। খণ্ডগুলো সরাসরি রোগীদের ওপরে পড়লে মারাও যেতে পারত। এসব দ্রুত ঠিক করা প্রয়োজন।’
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভবনটি ৩৫-৪০ বছরের পুরোনো হওয়ায় নতুন ভবনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ছাদের ভাঙা অংশ মেরামতের জন্য স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগকে তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়েছে। আশা করছি, আগামীকালের মধ্যে মেরামতের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ছাড়া হাসপাতালটি ১০০ শয্যাবিশিষ্ট করার জন্যও আবেদন করা হয়েছে।’