হোম > সারা দেশ > মৌলভীবাজার

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ২ তরুণের মৃত্যু

প্রতিনিধি

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার): মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় একই দিনে পৃথক স্থানে দুই বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে কর্মধা ইউনিয়নের হাসিমপুরে নলকূপ স্থাপনকালে পানির মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে জুনেদ মিয়ার (১৮) মৃত্যু হয়। একই দিন বিকেলে পৃথিমপাশা ইউনিয়নের রবিরবাজারে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে পড়ে রুহেল আহমদের (১৭) মৃত্যু হয়।

কুলাউড়া থানার পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জুনেদ নলকূপে পানি উত্তোলন হচ্ছে কি না, তা পরীক্ষার জন্য মোটরের সুইচ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে সহকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি রাউৎগাঁও ইউনিয়নের মনরাজ এলাকার আবুল মিয়ার ছেলে।

অন্যদিকে রুহেল বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতের সাবস্টেশনের পাশের একটি খুঁটিতে ওঠেন। খুঁটিতে ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন টানা ছিল। খুঁটির ওপর থেকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। রুহেল আহমদ ওই এলাকার এনায়েত উল্লাহর ছেলে।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিনয় ভূষণ রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই তরুণের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, জুনেদের লাশ আইন অনুযায়ী পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিনয় ভূষণ রায় আরও বলেন, ‘পৃথিমপাশার রবিরবাজারে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে পড়ে রুহেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। পুলিশ স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ করে জানতে পারে, পাখির বাসা ভাঙতে সে খুঁটিতে উঠেছিল। সেখানে সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খুঁটি থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়।’

বিএনপি নেতার অশালীন আচরণ, জমিয়ত সভাপতি মাওলানা ফারুককে শোকজ

শাকসু নির্বাচনের দাবিতে মধ্যরাতে বিক্ষোভে উত্তাল শাবিপ্রবি, ইসির স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের দাবি

সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন তারেক রহমান

অভিযানে জব্দ ২০ হাজার ঘনফুট বালু, ৫০ নৌকা ধ্বংস

মৌলভীবাজারে তাপমাত্রা নেমেছে ৭ ডিগ্রিতে

১৪ জানুয়ারি দেশব্যাপী কর্মবিরতির ঘোষণা হোটেল–রেস্তোরাঁর শ্রমিকদের

মব ভায়োলেন্স গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিচ্ছে: মির্জা ফখরুল

সুনামগঞ্জ-৩ আসন: ৮ প্রার্থীর ৩ জনই কোটিপতি

নির্বাচনী হলফনামা: সম্পদ বেড়েছে আরিফের, স্ত্রীও হয়েছেন কোটিপতি

সিকৃবিতে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ৯৩.৪১ শতাংশ