সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওয়ার্ড বয়কে দিয়ে চিকিৎসা করানোসহ নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত পাবনা-সিরাজগঞ্জের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের তিন সদস্যের একটি দল উপজেলার ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালায়।
দুদক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে এক রোগীকে ওয়ার্ড বয় দিয়ে সেলাই করানোর অভিযোগ ওঠে। সেটা নিয়ে একজন দুদক কমিশন বরাবর অভিযোগ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে দুদক হাসপাতালটিতে অভিযান চালায়। অভিযানকালে দুদকের কর্মকর্তারা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন এবং রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন।
ওই সময় অভিযুক্ত হিসেবে কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক মেডিকেল কর্মকর্তা অভিজিৎ রায় (বর্তমানে ঢাকায় প্রশিক্ষণরত), অবসরপ্রাপ্ত মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সুফিয়া সুলতানা ও আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত ওয়ার্ড বয় মো. আবু তালেবের নাম উঠে আসে। বিষয়টি নিয়ে ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট দৈনিক আজকের পত্রিকায় ‘কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি চিকিৎসা দেন ওয়ার্ড বয়’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, ‘অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা এখানে অভিযান পরিচালনা করেছি। ডাক্তারের পরিবর্তে ওয়ার্ড বয় দিয়ে চিকিৎসা করানোসহ সেবার মানসংক্রান্ত অভিযোগ ছিল। তবে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা বর্তমানে এখানে নেই। বিষয়টি কমিশনে জানানো হবে। এরপর কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মোমিন উদ্দীন বলেন, ওয়ার্ড বয় দিয়ে চিকিৎসা করানোর অভিযোগে দুদক অভিযান চালিয়েছে। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা এখন এখানে নেই। তবে দুদকের দল হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছে।